Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Wednesday, 22 Jul 2026 12:11
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: “আমিই বাংলাদেশ- সুতরাং এই দেশটাকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব আমারই” এই শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে, গত ১লা মে দেশের ঐতিহ্যবাহী ভ্রমণ সংগঠন দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র ২৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পুরানো ঢাকার একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত অনুষ্ঠানের রূপ এক সময় বৃহত্তর ঢাকা ও তার আশেপাশের জেলাগুলো হতে আগত ভ্রমণ পিপাসুদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।

বেলাল আহমেদের কোরআন তেলোআত ও মো. রণী মৃধা এবং নূরই রাজনের সঞ্চালনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বেশ কয়েকজন ভ্রমণ পিপাসু। সংগঠনের নেতৃবৃন্দের জন্য দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা জনাব আব্দুল জব্বার ও বাংলাদেশ সমাজসেবা অফিসার্স এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের প্রকাশনা সম্পাদক জনাব মো.মস্তাফিজুর রহমান হেলাল। আব্দুল জব্বার তাঁর বক্তব্যে যতটা দ্রুত সম্ভব দে-ছুট’কে সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য পরামর্শ দেন।

আগত অতিথি বৃন্দের শুভেচ্ছা বক্তব্য পর্ব শেষে দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র প্রধান প্রতিষ্ঠাতা চীফ অর্গানাইজার মো.জাভেদ হাকিম তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেস করে সংগঠনের নিবেদিত প্রাণ খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, মো.জসিম উদ্দিন, এম.এ কালাম, সালমান পাপন, মুজাহিদুল ইসলাম জয়, জহির উদ্দিন উজ্জ্বল, আরাফাত রহমান, আব্দুল কাইউম, নাজীব মোহাম্মদ, ফাহিম হোসাইন ও মমিনুল হকের প্রতি।

সভাপতির বক্তব্যে মো.জাভেদ হাকিম বলেন, সেই ১৯৯৩ সালে প্রথম পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি ভ্রমণের মধ্য দিয়ে আজকের দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র পথ চলা। এই দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠন পরিচালনা ও দেশ-বিদেশের নানান জায়গা ভ্রমণ করতে গিয়ে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে। তিনি বলেন পাহাড়ে ঘুরাঘুরি দিয়ে শুরু হওয়াতে দে-ছুট এর বন্ধুদের মনমানসিকতা পাহাড়ের মতই বিশাল। প্রিন্ট মিডিয়ার দ্বারা দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র পরিচিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মেলে ধরার সুযোগ পাওয়ায় তিনি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালগুলোর ফিচার বিভাগের সম্পাদকদের প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা পোষণ করেন।

জাভেদ হাকিম বলেন, সৎ ও যোগ্য একনায়কতান্ত্রিকতাই পারে যে কোন পাবলিক গ্রুপের সফলাতা বয়ে আনতে তবে সঙ্গিদের গঠনমূলক মতামতেরও গুরুত্ব থাকা চাই। একটি সংগঠন তখনিই চূড়ান্ত সফলতা পাবে যখন সেই সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি স্বার্থের চাইতে সংগঠনের স্বার্থর প্রতি গুরুত্ব দিবেন। দে-ছুটের বন্ধুরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনের পাশাপাশি দুস্থদের ত্রাণ দেয়া সহ নানারকম সমাজসেবা মূলক কার্যক্রমেও অংশ নিয়ে থাকেন। সংগঠনের ভ্রমণ সূচীতে পাহাড়, বন, জঙ্গল, ঝিরি পথ এরকম জায়গা গুলোকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। চীফ অর্গানাইজার বলেন দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ কাউকে হারানোর ভয়ে ভীতু নয় সুতরাং কোন প্রকার অনিয়ম প্রশ্রয় দেয়ারও সুযোগ নেই। ফলে দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ’র শৃঙ্খলতা অন্যান্য সংগঠনের ভ্রমণ পিপাসুদের নিকটও বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।

বক্তব্য শেষে মো. জাভেদ হাকিম সকলকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন।

(শামীম/ ০৮ মে ২০১৭)