
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি, বিনিয়োগবার্তা: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ভাঙ্গন কবলিতদের আগাম পূর্বাভাস দেওয়াসহ তাদের স্থানান্তরের জন্য নগদ ২১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বন্দবের ইউনিয়ন ও চর রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী ১৫টি গ্রামে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সিইজিআইএস (সেন্টার ফর এনভাইরনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস) ও স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটি ওই ইউনিয়নে বিপদ সংকেত সম্পর্কে সচেতন করতে লাল ও হলুদ পতাকা স্থাপন করে ভাঙ্গন কবলিতদের ক্ষতি কমাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এছাড়াও এই কর্মসূচির মাধ্যমে শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে রৌমারী উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নে অবস্থিত খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খোদাইমারী সরকারি বিদ্যালয়সহ মোট চারটি স্কুলে বিদ্যুতের সরঞ্জামাদি ও গাইউ ওয়ালের কাজ উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় সলিডারিটির নির্বাহী পরিচালক এস এম হারুন অর রশীদ লাল, প্রজেক্ট ম্যানেজার আলেয়া বেগম, কেয়ার বাংলাদেশের প্রজেক্ট অফিসার এমডি আব্দুর রউফ, প্রজেক্ট অফিসার কিশোর কুমার রায়, খনজনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নুরুল হক, প্রধান শিক্ষক কাওছার পারভীন, কুড়িগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সূর্য, রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা, চর রাজিবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দাতা সংস্থা স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশের আর্থিক অনুদানে ও কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় দুটি ইউনিয়নে ছয় মাসের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে নদী তীরবর্তী ৪৩০ জন ভাঙনকবলিতদের প্রত্যেককে নগদ চার হাজার ৫০০ টাকা ও হাইজিন কিটস হিসেবে বালতি, মগ, ন্যাপকিন, সাবান, সার্জিক্যাল মাস্ক প্রদান করা হয়।
স্থানীয় বেসরকারি সংগঠন সলিডারিটি রিভার ব্যাংক ইরোশন প্রকল্পের মাধ্যমে দুটি উপজেলার ভাঙনকবলিত দুটি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে সরাসরি ৪৩০ জন উপকারভোগী, চারটি স্কুলসহ প্রায় ১৫ শতাধিক পরিবারকে আগাম পূর্বাভাস দিয়ে ভাঙনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।
(এসআর/এসএএম/২২ আগস্ট ২০২০)