
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: বনানীর আলোচিত দুই ছাত্রী ধর্ষণ ঘটনায় কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
ধর্ষণ ঘটনার মামলা নিতে বনানী থানা পুলিশের কর্তব্য পালনে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা, তা জানতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ওই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।
তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, মামলা দেরিতে গ্রহণ এবং তদারকিতে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন- ঘটনার সময় গুলশান জোনের ভারপ্রাপ্ত উপকমিশনার মানস কুমার পোদ্দার, বনানী থানার ওসি ফরমান আলী এবং একই থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আব্দুল মতিন।
গত সোমবার তদন্ত কমিটির প্রধান এডিশনাল কমিশনার মিজানুর রহমান প্রতিবেদনটি ডিএমপি কমিশনারের হাতে তুলে দেন। এই তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের কাছে অবহেলার বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের শিকার দুই শিক্ষার্থীর একজন বনানী থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ টালবাহানা করে বিলম্বে মামলাটি গ্রহণ করে বলে অভিযোগ ওঠায় ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, এই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ তার জন্মদিনের দাওয়াত দেয় দুই তরুণীকে। এরপর তাদের বনানীর রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলার আসামি সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আবুল কালাম আজাদকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
(ইউএম/ ২৩ মে ২০১৭)