
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক: ২০২০ সাল থেকে চলমান লকডাউনে ব্যাপক লোকসানে পড়েছে ব্রিটিশ রিটেইলাররা। দীর্ঘ এই সময়ে যুক্তরাজ্যের শৌখিন পণ্যের বাজারে ২ হাজার ২০০ কোটি পাউন্ডের মতো ক্ষতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গত সোমবার থেকে এসব সামগ্রীর দোকানপাট খুলে দেয়া হয়েছে। খবর: দ্য গার্ডিয়ান।
ফ্যাশন ও সৌন্দর্যবিষয়ক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান স্টাইলাসের হেড অব অ্যাডভাইজরি সাইসংগীত দাসওয়ানি বলেন, ক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরেই ঘরে বসে কেনাকাটা করে ক্লান্ত। এবার তারা দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মাধ্যমে তৈরি হয়ে, পোশাক পরে বাড়ির বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তারা। সেটিও কম বড় কথা নয়।
বেশিরভাগ দোকানই ট্রায়াল রুম বা ফিটিং রুম ক্রেতাদের জন্য খুলে দিচ্ছে। অবশ্য মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার ও প্রাইমার্ক আগামী সপ্তাহেই তাদের ট্রায়াল রুম খুলছে না। তারা পরিস্থিতি কিছুটা পর্যবেক্ষণ করে তারপর হয়তো এ সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে বাইরে গিয়ে কেনাকাটার সুযোগ পেলেও স্বাস্থ্যবিধি বা বিধিনিষেধগুলো সবাইকে মেনে চলতে হবে। যেমন মাস্ক পরতে হবে, কেনাকাটার জন্য কেবল একজন বের হতে পারবেন। কেনাকাটার সময় বজায় রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব। নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে কেনাকাটা সারতে হবে ব্রিটিশ ক্রেতাদের।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দোকানগুলোও নিজস্ব কিছু ব্যবস্থাপনা চালু করছে। যেমন: জন লুইস স্পর্শবিহীন কেনাকাটার সীমা বাড়িয়েছে।
মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সারের স্টোর ডিরেক্টর হেলেন মিলফোর্ড বলেন, তিনি আশা করছেন অনলাইনে ক্রেতার সংখ্যা কমবে না। তবে অনলাইন ক্রেতাদের কেউ কেউ হয়তো সরাসরি দোকানে এসে দেখে বেছে কিনতে পছন্দ করবেন। তিনি বলেন, পুরো বিষয়টাই মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নির্ভর করবে। আমার মনে হয়, এবার আমরা অনলাইন ও অফলাইন কেনাকাটার একটি মিশ্রণ দেখতে পাব।
(এসএএম/১৫ এপ্রিল ২০২১)