Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Tuesday, 28 Jul 2026 23:53
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক: প্রযুক্তি খাত, স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ অর্থনীতির অন্যান্য খাতে একচেটিয়া প্রতিযোগিতা বন্ধে নতুন এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। খবর: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

 

এ আদেশে স্বাক্ষরের পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন জানান, স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে একটি আদর্শ পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই মার্কিন অর্থনীতির লক্ষ্য। এ আদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মার্কিন জাতীয় আদর্শ আরো শক্তিশালী হবে বলেও মনে করেন তিনি।

 

সুদূরপ্রসারী এ আদেশের মধ্যে ৭২টি কার্যাদেশ ও বিভিন্ন পর্যাদেশ রয়েছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পরিবারগুলোর জন্য খরচ কমিয়ে আনা, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করা এবং উদ্ভাবনী খাতে উৎসাহ দেয়াসহ অর্থনীতির দ্রুত অগ্রগতি নিশ্চিত করা। তবে নতুন এ আইনের ফলে এজেন্সিগুলো তাদের নীতিমালাকে আইনে রূপান্তর করতে পারে, যা বৃহৎ আকারের আইনি লড়াইয়ের সূত্রপাত করতে পারে।

 

এ আদেশের ফলে একচেটিয়া চুক্তিগুলো নিষিদ্ধের মাধ্যমে শ্রমিকদের বেতন ও কোম্পানিগুলোকে তাদের আইন পরিবর্তনে বাধ্য করা হবে। পাশাপাশি এ আইনের মাধ্যমে পরিবহন খাতেও নতুন নীতিমালা প্রণয়নে বাধ্য করবে। ফলে এয়ারলাইন কোম্পানিগুলো যাত্রীদের মালপত্র দেরি হওয়া ও বিজ্ঞাপনে প্রদর্শিত সেবার অনুরূপ সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হবে।

 

হোয়াইট হাউজে আইনটি স্বাক্ষরের সময় বাইডেন জানান, বৃহৎ কোম্পানিগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য প্রতিযোগিতা করার বিপরীতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। প্রেসিডেন্ট জানান, তারা শ্রমিকদের সুবিধা দেয়ার বিপরীতে তাদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেয়ায় লিপ্ত। কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়া পুঁজিবাদ আসলে কোনো পুঁজিবাদ নয়, বরং এটি শোষণ।

 

 

হোয়াইট হাউজ জানায়, বাইডেনের এ আদেশ মূলত পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্টদের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা স্বরূপ। এর আগে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমাহীন ক্ষমতা হ্রাস করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন কয়েকজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টের সময় মার্কিন অর্থনীতির ওপর প্রভাব বিস্তারকারী অনেক বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছিলেন। এরমধ্যে ছিল স্ট্যান্ডার্ড অয়েল ও জেপি মরগান’স রেইল রোড। ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট প্রশাসন ১০৩০ সালে অ্যান্টিট্রাস্ট আইন প্রণয়ন করেন।

 

(এসএএম/১১ জুলাই ২০২১)