
আইবিএ’র শিক্ষার্থীদের জন্য ডিসিসিআই ইনর্টানী সুবিধা প্রদান করবেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ডিসিসিআই ।ডিসিসিআই এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)’র মধ্যকার সহযোগিতা স্মারক ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে স্বাক্ষরিত হওয়ার অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এ কথা বলেন ।
মঙ্গলবার (১৬নভেম্বর ) ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে এ সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এবং আইবিএ-এর পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ মোমেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
স্বাক্ষরিত সহযোগিতা স্মারক অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে শিল্প ও শিক্ষাখাতের যৌথ প্রয়াসে প্রতিষ্ঠান দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করবে। এছাড়াও ডিসিসিআই এবং আইবিএ যৌথভাবে গবেষণা, সেমিনার, কর্মশালা, মেলাসহ বিভিন্ন বাণিজ্য আলোচনা সভার আয়োজন করবে। এ স্মারক অনুযায়ী, আইবিএ’র শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ইনর্টানী সুবিধা প্রদান করবে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান দেশের বিকাশমান অর্থনীতির গতিধারা আরো বেগবান করতে শিল্প ও শিক্ষাখাতের মধ্যকার দূরত্ব কমোনোর আহবান জানান এবং সে লক্ষ্যে বাণিজ্য সংগঠনসমূহের পাশাাপশি শিল্পখাতের সাথে আইবিএ’র মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের যোগাযোগ আরো সুদৃঢ় করার প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, আমাদের শিল্পখাতে দক্ষ মানব সম্পদের অভাব প্রকট, এমতাবস্থায় শিল্পখাতের প্রয়োজনের নিরিখে মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়নে বিদ্যমান পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়ন অতীব জরুরী বলে মত প্রকাশ করেন। দেশে শিল্পায়নের প্রসারের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে আরো বেশি হারে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনার আহবান জানান ডিসিসিআই সভাপতি।
আইবিএ-এর পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ মোমেন বলেন, গত ৫ দশক ধরে বাংলাদেশে দক্ষ ব্যবস্থাপক তৈরিতে আইবিএ নিরলসভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত করছে এবং এখানকার গ্রাজুয়টার অত্যন্ত সুনামের সাথে দেশি-বিদেশি সংস্থায় কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী, তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ক্রমাগত উন্নয়ন, আঞ্চলিক বাণিজ্য প্রতিযোগিতা এবং পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতির কারণে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রমে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে এবং তা মোকাবেলায় উদ্যোক্তাদের অবশ্যই মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, নতুন পণ্য উদ্ভাবন ও বাজার সম্প্রসারণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতি আরো বেশি মনোযোগী হতে হবে। এছাড়াও দেশে একটি ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন এবং নীতিমালার যুগোপযোগীকরণের উপর তিনি জোরারোপ করেন। প্রফেসর মোমেন বলেন, আমাদের দেশের বিশ^বিদ্যালয়সমূহে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে, যেখানে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তাবৃন্দ আরো বেশি হারে উপকৃত হতে পারেন। এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়সমূহের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম আরো বেশি হারে বিনিয়োগের জন্য তিনি বেসরকারীখাতকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, এফসিএস, এফসিএ, সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন, পরিচালক গোলাম জিলানী, আইবিএ’র অধ্যাপক শেখ মোরশেদ জাহান এবং অধ্যাপক ড. রিদওয়ানুল হক প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিনিয়োগর্বাতা/এসআর /