
ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি বছর বাড়ি ও গাড়ি কেনাবেচায় নতুন করে করছাড়ের সুবিধা দিতে যাচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। কভিডজনিত বিপর্যয় কাটিয়ে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার আরো ত্বরান্বিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। তবে কভিডের নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায়ও প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি। খবর: রয়টার্স।
ইন্দোনেশিয়ার করছাড়ের নতুন নিয়ম অনুসারে, দেশে যেসব বাড়ির দাম ২০০ কোটি রুপিয়ার নিচে সেসবের মূল্য সংযোজন করে ৫০ শতাংশ ছাড় দেবে সরকার। পাশাপাশি যেসব বাড়ির দাম ২০০-৫০০ কোটি রুপিয়ার মধ্যে সেগুলোয় ২৫ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। আগামী জুন পর্যন্ত এসব করছাড় সুবিধা বহাল থাকবে।
দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক সমন্বয়কারী মন্ত্রী এয়ারলাঙ্গা হার্তার্তো এক ভার্চুয়াল আলোচনায় এমন তথ্য জানিয়েছেন।
এয়ারলাঙ্গা হার্তার্তো বলেন, গাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রেও করছাড়ের বেশকিছু স্কিম দেয়া হবে। যেসব গাড়ির মূল্য ২৫ কোটি রুপিয়ার কম সেখানে করছাড়ের সুবিধা থাকবে আগামী মার্চের শেষ নাগাদ। এছাড়া অন্য গাড়ির জন্য করছাড়ের সুবিধা বহাল থাকবে সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ।
এর আগে গত বছরও সম্পদ ও গাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে করছাড়ের সুবিধা দিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া সরকার। যেটা গত ডিসেম্বরে শেষ হয়ে যায়। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করতে এসব পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি ওমিক্রনের বিস্তার নিয়েও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দেশটি।
শনিবার একদিনেই দেশটিতে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। গত তিন মাসের মধ্যে এ সংখ্যা এক হাজার অতিক্রম করল। ইন্দোনেশিয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে।
ওই একই আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বদি গুনাদি সাদিকিন জানান, সরকার জাকার্তাকে ওমিক্রনের বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে প্রস্তুত করছে। ওষুধের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। চার লাখ ট্যাবলেট এরই মধ্যে এসে পৌঁছেছে। মার্চ-এপ্রিলে দেশেই ওষুধ তৈরি শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মলনুপিরাভির ওষুধ এরই মধ্যে সংগ্রহ করেছে ইন্দোনেশিয়া। পরিকল্পনা রয়েছে দেশেই ওষুধটি তৈরির। সংক্রমণ বাড়লে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফাইজারের ট্যাবলেট আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। ওমিক্রনের সংক্রমণ হার বেশি হলেই কেবল চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//