Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Thursday, 24 Mar 2022 00:00
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ার তিনটি দেশের মধ্যে নতুন ক্ষেত্রগুলোয় সহযোগিতার মাধ্যমে কৌশলগত স্তরে সম্পর্ক জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে কৌশলগত যোগাযোগের লক্ষ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে উভয় পক্ষেই সহযোগিতার নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

বাংলাদেশের সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ তিনটির কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এস্পেন রিক্টার ভেনসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসন ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজভন্ড্রা বার্গ ভন লিন্ডে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গণভবনে যান। এ সময় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অব্যাহত সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সমর্থনে এ তিনটি স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি পুনর্গঠনে তাদের সাহায্য ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে ৫০ বছর ধরে স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ তিনটি আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

সাক্ষাৎকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর কীভাবে এ দেশের গণতন্ত্র খর্ব করা হয়েছিল সে ব্যাপারে রাষ্ট্রদূতদের অবহিত করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সামরিক শাসকরা গণতন্ত্রকে বিঘ্নিত করেছে।

এ সময় কূটনীতিকরা বাংলাদেশ ও স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, তাদের দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তারা বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে সামাজিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। কূটনীতিকরা ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বাড়ি করে দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে বাড়ি উপহার দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামকেন্দ্রিক উন্নয়ন এবং সবার কাছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেয়া।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশে গ্রামীণফোনকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময়ে তিনি টেলিযোগাযোগকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দেন। এর ফলে এখন সাধারণ মানুষও এ সেবা পেতে শুরু করে।

বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই//