
নিজস্ব প্রতিবেদক: উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।
তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এশিয়ান প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এপিও) সহায়তায় বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ও ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) প্রণীত ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টারপ্ল্যান ২০২১-২০৩০’ বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রোডাক্টিভিটি প্রবৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৮। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এটিকে ৫ দশমিক ৬ উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুন) জাতীয় উৎপাদনশীলতা পরিষদের (এনপিসি) ১৮তম সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় এনপিসি’র সহ-সভাপতি ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ অন্যান্য সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এতে সঞ্চালনা করেন এনপিও’র মহাপরিচালক মুহম্মদ মেজবাহুল আলম।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা দরকার। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী সভা, সেমিনার, কর্মশালা, ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় টিভিসি প্রচার ও প্রিন্ট মিডিয়ায় লেখা প্রকাশের ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে এ বিষয়টি নিয়ে একটি বই প্রকাশ করা যেতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা কারিকুলামে উৎপাদনশীলতা বিষয়ক অধ্যায় অন্তর্ভুক্তকরণের লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে হবে।
এনপিসি’র সহ-সভাপতি শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য শ্রমিকবান্ধব শিল্প পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। কর্মপরিবেশ উন্নত করতে হবে ও কর্মচারী/শ্রমিকদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে। উৎপাদনশীলতা বাড়লে মালিক ও শ্রমিক উভয়ই লাভবান হবেন।
সভায় ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ইনস্টিটিউশনাল এপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ, শিল্প, সেবা, কৃষিখাতে উৎপাদনশীলতা লেভেল নির্ধারণ, উৎপাদনশীলতা বিষয়ক আইনের খসড়া প্রণয়ন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//