Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Wednesday, 10 Aug 2022 06:00
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে একটি সার্বজনীন কৌশল হচ্ছে কাইজেন (KAIZEN)। কাইজেন শব্দটি দুটি জাপানি শব্দ KAI (অর্থ-‘পরিবর্তন’) এবং ZEN (অর্থ-‘ভালো’) এর সংমিশ্রণে উৎপন্ন। অর্থ ‘ভালোর জন্য পরিবর্তন’। এটি এমন একটি অনুশীলন যা শুন্য বা নূন্যতম ব্যয়ে যে কোনো কার্যক্রমের ধারাবাহিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করে। শিল্প, বাণিজ্য, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য সেবা, প্রশাসন, দৈনন্দিন জীবনযাপনসহ সকল ক্ষেত্রেই কাইজেন অনুসরণ করা যেতে পারে। এটি বাস্তবায়নের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও অপচয় রোধ সম্ভব। 

বিশ্বব্যাপী মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বায়ন ও মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এমএসএমই শিল্প অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে, যা কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আরো প্রকট হয়েছে। পণ্যের মানোন্নয়ন ও সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির দ্বারা প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। 

বুধবার (১০ আগস্ট, ২০২২) দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ‘কাইজেন’ বাস্তবায়নে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনলাইনে ‘এসএমই-তে উৎপাদনশীলতা’ কর্মশালার আয়োজন করে এসএমই ফাউন্ডেশন। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)-এর মহাপরিচালক মুহাম্মদ মেসবাহুল আলম। 

সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান। 

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ, বিভাগীয় প্রধান, আইপিই বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং মোহাম্মদ আবুল বাশার, সিনিয়র টেকনিক্যাল ডেমনস্ট্রেটর, আইএলইটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এসএমই ফাউন্ডেশন দেশের এমএসএমই শিল্পের উৎপাদনশীলতার উন্নয়নে সচেতনতা সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন, কাইজেন প্রয়োগসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে ‘এসএমই-তে কাইজেন’ কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৫১টি এমএসএমইকে কারিগরি সহযোগিতা এবং ২৬৭জন উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে এসএমই ফাউন্ডেশন।

উল্লেখ্য, ‘এসএমই-তে কাইজেন’ কর্মসূচি ৮টি ধাপে বাস্তবায়িত হয়। যেমন: ১. সচেতনতা উন্নয়ন কার্যক্রম ২. প্রতিষ্ঠান বাছাই ও নিশ্চিতকরণ ৩. উৎপাদনশীলতা নিরীক্ষণ ৪. কাইজেন পাইলট প্রকল্প প্রণয়ন ৫. দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ৬. প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ ৭. চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন, এবং ৮. উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম। 

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল, প্লাস্টিক, চামড়া ও চামড়াজাত, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স, তৈরি পোশাক ও হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাতসহ প্রভৃতি শিল্পের উদ্যোক্তা, প্রতিনিধি ও অন্যান্য অংশীজনসহ ৮৬জন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।  

বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই//