
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: গত শতাব্দীর শেষে বাজারে এসেছিল নকিয়া ৮২১০ মডেল। ১৯৯৯ সালে প্যারিসে এক অনুষ্ঠানে দুনিয়ার সামনে এই ফোন নিয়ে এসেছিল ফিনল্যান্ডের সংস্থাটি। লঞ্চের পরেই এই ফোন জনপ্রিয়তম শীর্ষে পৌঁছেছিল। সেই সময় লাইফটাই ও ফ্যাশন স্ট্যাটাসের জন্য এই ফোন ব্যবহার করতেন অনেকেই। এই ফোন লঞ্চের পরেই মোবাইল বাজারে নোকিয়ার কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল প্রতিযোগিরা।
২৩ বছর পর সেই ফোন ফিরিয়ে আনল নকিয়ার বর্তমান মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এইচএমডি গ্লোবাল। তবে শুধু নস্টালজিয়া ফিরিয়ে আনার জন্য নয়, নতুন নকিয়া ৮২১০ ৪জি মডেলে রয়েছে এমন অনেক ফিচার যা আপনার মন জয় করে নেবে।
পুরোনো ডিভাইসে থেকে আকারে অনেকটা বড় হলেও ডিজাইনে সাদৃশ্য রয়েছে। নতুন নকিয়া ৮২১০ মডেলটি এক হাতে ব্যবহারে সমস্যা হবে না। থাকছে ডুয়াল সিম সাপোর্ট। বাক্সের মধ্যে ফোন ছাড়াও ছিল ব্যাটারি, চার্জর ও ইউজার ম্যানুয়াল। এই ফোনে ৭.১ সেন্টিমিটার কিউভিজিএ টিএফটি ডিসপ্লে দিয়েছে নকিয়া। যা আজকের বাজারে অন্যান্য ফোনের তুলনায় খারাপ। ডিসপ্লের চারপাশ থেকে আলো ঠিকরে বেরোতে দেখা গিয়েছে। ফোনের সামনে থাকছে ডুয়াল কালার ফিনিশ। ডিসপ্লের নিচে রয়েছে একটি টি৯ কিপ্যাড। পিছনে রয়েছে ক্যামেরা ও কোম্পানির লোগো। ফোনের উপরে ৩.৫ মিলিমিটার অডিও জ্যাক ও নিচে চার্জিং পোর্ট দিয়েছে নকিয়া।
এই ফোনে রয়েছে একটি ১ গিগাহার্জের ইউনিসক টি১০৭ চিপসেট। যা একটি ফিচার ফোনের তুলনায় শক্তিশালী চিপসেট। ফলে এই ফোন ব্যবহারের সময় স্লো মনে হবে না। থাকছে ১২৮ মেগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ। এর মধ্যে ৩০ মেগাবাইটের কম জায়গা ব্যবহারযোগ্য। চাইলে এই ফোনে ৩২ জিবি পর্যন্ত পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যাবে মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে।
এই ফোনের পিছনে রয়েছে ভিজিএ ক্যামেরা। ফোনের উপরে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশলাইট। এই ফোনে ব্লুটুথ ৫.০ কানেক্টিভিটি দিয়েছে নকিয়া। তবে ওয়াইফাই সাপোর্ট থাকছে না। যদিও ইয়ারফোন কানেক্ট না করেই এই ফোনে এফএম রেডিও শোনা যাবে।
ডার্ক ব্লু ও রেড কালারে এই ফোন কেনা যাবে। ভারতে বাজারে ডিভাইসটি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার রুপিতে। বাংলাদেশের বাজারে এখনো অফিসিয়ালি আসেনি।
বিনিয়োগবার্তা/এসএল//