
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে পাটখাতের অসামান্য অবদান রাখছে। যদিও কালের পরিক্রমায় কৃত্রিম তন্তুর (পলিথিন) ব্যবহার বৃদ্ধি পেলেও বর্তমান টেকসই উন্নয়নের যুগে বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটপণ্যের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।
রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলস্থ করিম চেম্বারে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে (জেডিপিসি) পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাটপণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জেডেপিসির নির্বাহী পরিচালক রেখা রাণী বালোর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট সচিব মো. আব্দুর রউফ।
মন্ত্রী বলেন, বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে জনপ্রিয় করতে প্রচার-প্রচারণাসহ বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করার কাজ চলমান। এসব মেলা পাটজাত পণ্য উৎপাদনকারী, বিপণনকারী, ব্যবহারকারী এবং বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে বেশি যোগাযোগ স্থাপনে সহায়ক হবে। এক্সপো-২০২০ দুবাইসহ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য মেলায় বহুমুখী পাটপণ্যের প্রতি মানুষের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জেডিপিসির কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, যত পারেন পাটপণ্যের মেলার আয়োজন করেন। এতে দেশে পাটপণ্যের চাহিদা যেমন বাড়বে তেমনি এ খাতের উদ্যোক্তাদের বিক্রিও বাড়বে। এতে করে তারা দেশের বাইরেও পাটপণ্য রফতানি করতে উৎসাহী হবে। মেলা হলে উদ্যোক্তারা লাভবান হবে। অনেক উদ্যোক্তাই দেশের বাইরে যেতে পারে না। মেলা হলে তারা লাভবান হবে।
করিম চেম্বারে চলমান পাঁচদিনের এই প্রদর্শণী শেষ হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ মেলা চলবে। এবার মেলায় ৩৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তারা বহুমুখী পাটপণ্যের পসরা সাজিয়েছেন। বহুমুখী পাটপণ্যের উদ্যোক্তারা ২৮২ প্রকার দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্য উৎপাদন করছেন। প্রদর্শনী পাটের প্রায় সব পণ্য রয়েছে।
বিনিয়োগবার্তা/কেএইচকে//