
নিজস্ব প্রতিবেদক: রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাক রফতানি ৪.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২.৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
রোববার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞতিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন রুবেল এ তথ্য তুলে ধরেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) বৃহত্তম রফতানি বাজার জার্মানিতে আমাদের রফতানি উল্লেখিত সময়ে মাত্র ১.৩৪ শতাংশ বেড়েছে, যার পরিমাণ ১.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। স্পেন এবং ফ্রান্সে রফতানি যথাক্রমে ২১.৩৫ শতাংশ এবং ৩৬.৭২ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যদিকে, ইইউর অন্যতম সম্ভাবনাময় বাজার পোল্যান্ডে রফতানি জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে ২০২১-২০২২-এর তুলনায় ২৪.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
আমেরিকাতে দেশের তৈরি পোশাক রফতানি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.১৩ শতাংশ বেড়ে ২.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা প্রবৃদ্ধি হ্রাসের একটি স্পষ্ট লক্ষণ।
একই সময়ে যুক্তরাজ্য এবং কানাডায় রফতানি যথাক্রমে ১৫.১১ শতাংশ এবং ১৭.৪০ শতাংশ বাড়ার সঙ্গে ১.১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৩৩৪ .৬৫ মিলিয়নে মার্কিন ডলার পৌঁছেছে।
২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে, অপ্রচলিত বাজারে দেশের পোশাক রফতানি ২৫.৪৭ শতাংশ বেড়ে ১.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের মধ্যে ১.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল।
অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে, জাপানে রফতানি ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ বাড়ার সঙ্গে ৩২০.৪০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে ভারতে আমাদের রফতানিও উল্লেখযোগ্যভাবে ৬৬.২০ শতাংশ বেড়েছে, যার পরিমাণ ৩০৬.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং রাশিয়ায় রফতানি কমেছে যথাক্রমে ৩.৬৯ শতাংশ, ০.১ শতাংশ, ৮.৭১ শতাংশ এবং ৪৭.৩০ শতাংশ।
প্রাপ্ত তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং খুচরা বাজারে প্রভাবের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানিসহ প্রধান বাজারগুলোতে বৃদ্ধি হ্রাস পাচ্ছে।
বিনিয়োগবার্তা/এসএল/এসএএম//