
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাক্রমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এগিয়ে যাওয়া ডিজিটাল বাংলাদেশে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, তারুণ্যের অন্যতম শক্তিই হচ্ছে প্রযুক্তি। তবে প্রযুক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে যেন গ্রাম ও শহরের মধ্যে কোন বৈষম্য না থাকে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
রবিবার (২০ নভেম্বর) চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত দু' দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যেন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে গিয়ে ডিভাইসের পণ্য না হয়ে যাই সেদিকটায় খেয়াল রেখে এর খারাপ দিক পরিহার করতে হবে। এ ব্যাপারে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সচেতন ও সতর্ক করতে হবে। আমাদেরও একই খেয়াল থাকতে হবে।
‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখার আলোকে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন নীতিমালা’ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে এনসিটিবির সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
নতুন শিক্ষাক্রমটি যোগ্যতাভিত্তিক, যেখানে একজন শিক্ষার্থীকে এমন সব যোগ্যতা শেখানো হবে, যা সে জীবনযাপনের বাস্তব কাজে প্রয়োগ করতে পারে।
এ পদ্ধতিতে জিপিএর বদলে যোগ্যতা অর্জনে শিক্ষার্থীর পারদর্শিতাকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে ফলাফল দেয়া হবে। আর সৃজনশীল নামে চলা বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নও করা হবে না। এমনকি এখনকার মতো হুবহু বহুনির্বাচনী প্রশ্নও (এমসিকিউ) থাকবে না।
বিষয় ভেদে যোগ্যতা অর্জনে শিক্ষার্থীরা কতটা সক্ষম, তা সমস্যাভিত্তিক নানা বিষয়বস্তু দিয়ে, তাতে তাঁরা কতটা পারদর্শী, তার মূল্যায়ন করা হবে বহুমুখী পদ্ধতি প্রয়োগ করে।
বিনিয়োগবার্তা/এমআর//