
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্প প্রতিযোগী সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রযুক্তির উপর জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।
রোববার (২৭ নভেম্বর) ঢাকায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে যুক্তরাজ্যের কোম্পানি ইএসথ্রিজি লিমিটেড (ES3G Limited) এর সিইও, ক্রিস ভ্যান ব্রোইখোভেন (Kris Van Broekhoven) এবং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মুনাওয়ার উদ্দিন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেছেন বিজিএমইএ সভাপতি।
তারা প্রযুক্তির অগ্রগতি নিয়ে, বিশেষ করে যে প্রযুক্তিগুলো বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন শিল্পকে রূপ দিচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। সেই সাথে তারা আলোচনা করেন, প্রযুক্তি কিভাবে বাংলাদেশী পোশাক কারখানাগুলোকে তারা যে মানবাধিকার রক্ষা করে ব্যবসা পরিচালনা করছে, তার প্রমানপত্রগুলো আন্তর্জাতিকভাবে প্রদর্শনে সহায়তা করতে পারে।
তাদের আলোচনায় ইএসথ্রিজি লিমিটেড এর প্রযুক্তিও ছিলো, যা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের পোশাক কারখানাতে ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্পে স্বচ্ছতার নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে।
বৈঠকে বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রেস, পাবলিকেশন এন্ড পাবলিসিটি এর চেয়াম্যান শোভন ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে নকশা উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন, সম্পদের দক্ষতা, শ্রমিকদের কল্যান - প্রভৃতি প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির মানোন্নয়নে ক্রমবর্ধমানভাবে জোর দিচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, প্রযুক্তির আপগ্রেডেশন এবং কর্মীদের দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে, চ্যালেঞ্জগুলোকে সুযোগে পরিণত করা, যেহেতু প্রযুক্তির আপগ্রেডেশন আগামী দিনে আমাদের শিল্পের প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়াতে অবদান রাখবে”।
ইএসথ্রিজি লিমিটেড এর সিইও, ক্রিসভ্যান ব্রোইখোভেন বলেন, “আমরা আনন্দিত যে বিজিএমইএ নতুন প্রযুক্তি, যেগুলো কিনা শ্রমিকদের অধিকারে স্বচ্ছতা বাড়াতে পারে, সেই সব নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি ক্রমবর্ধমানভাবে সমর্থন দিচ্ছে। বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স, অ্যাকর্ড এবং অন্যান্য উদ্যোগকে সাথে নিয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে, বাংলাদেশে ইএসজিতে প্রচুর বিনিয়োগ এনেছে, এবং বাংলাদেশে বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক সবুজ পোশাক কারখানা রয়েছে। বিজিএমইএ এর সহযোগিতায়, আমাদের প্রযুক্তিগুলো শিল্পে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করতে পারে।”
বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই/এসএএম//