
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ন্যায় ও সমতা ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সমতা ভিত্তিক উন্নয়নে মনোনিবেশ করেছে।
মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন এবং প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোগে সবাইকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতে হবে।
শনিবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার মোঃ শামসুল হক টুকু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান সেমিনার কক্ষে নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং বুয়েটের সহযোগিতায় আয়োজিত দুই দিন ব্যাপী "অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালা; প্রেক্ষিত বাংলাদেশ" শীর্ষক অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
ডেপুটি স্পীকার বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে প্রতিবন্ধী বান্ধব সরকার হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দিনব্যাপী সেমিনারে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বাস্তবমুখী বিভিন্ন দিক চিহ্নিত হয়েছে, যা প্রতিবন্ধীদের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: নূরুল আলমের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো: মনজুরুল হক, ভাইভার্সএশিয়া'র সমন্বয়কারী যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ডেভিড জে. ব্রাউন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচির কর্মকর্তা এ্যালেন মেলেটিক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যলয়ের আইআইটির পরিচালক এবং ডাইভার্সএশিয়া’র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রধান অধ্যাপক ড. এম শামীম কায়সার প্রমুখ।
কর্মশালায় কারিগরী সেশনেগুলোতে দেশ-বিদেশ থেকে সমবেত শিক্ষক ও গবেষকগণ তাঁদের গবেষণা ও অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন।
বিনিয়োগবার্তা/এমআর//