
ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাজ্যে তিনটি গুদাম বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় প্লাটফর্ম অ্যামাজন। ফলে এসব গুদামে কর্মরত প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মীর চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কর্মীদের অন্য ইউনিটে স্থানান্তর করার সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন খুচরা বিক্রেতা জায়ান্টটি। খবর: রয়টার্স।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যামাজন চলতি বছর হেমেল হ্যাম্পস্টেড, ডনক্যাস্টার ও গৌরক এলাকায় তিনটি পুরনো ব্রিটিশ গুদাম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অ্যামাজনের সবচেয়ে বড় জনবল রয়েছে। এসব গুদামে প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মী নিয়োজিত। অ্যামাজন বলছে, কর্মরত শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণভাবে কর্মক্ষেত্র স্থানান্তর করার সুযোগ দেয়া হবে। যুক্তরাজ্যে অ্যামাজনের প্রায় ৩০টি বৃহৎ গুদাম আছে। প্রথম দুটি সাইট থেকে কর্মীরা এরই মধ্যে কাছাকাছি অন্যান্য গুদামে চলে যাচ্ছে।
সিয়াটলভিত্তিক অনলাইন বিক্রেতা জায়ান্টটি জানিয়েছে, তিন বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সেন্ট্রাল ইংল্যান্ড ও নর্থ-ইস্ট ইংল্যান্ডে নতুন আরো দুটি গুদাম চালু করবে। এসব গুদামে নতুন করে কমপক্ষে ২ হাজার ৫০০ কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
চলতি জানুয়ারির শুরুতে অ্যামাজন বলেছিল, উচ্চ মূল্যস্ফীতির ফলে ক্রেতা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ক্রমেই কমেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অতিপ্রয়োজনীয় নয়, এমন পণ্যে ব্যয় কমিয়ে এনেছেন ভোক্তারা। এ অবস্থায় ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে খুচরা বিক্রিতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এরই অংশ হিসেবে চলতি মাসে অ্যামাজন প্রায় ১৮ হাজার কর্মী কমানোর পরিকল্পনা করছে। তবে ব্রিটিশ গুদাম বন্ধের সঙ্গে ওই কর্মী ছাঁটাইয়ের কোনো যোগসূত্র নেই বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যামাজনের জনবল কমানোর পরিকল্পনায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ই-কমার্স অংশের নন-ওয়্যারহাউজ ও মানব সম্পদ বিভাগ।
এছাড়া অ্যামাজনের ব্রিটিশ গুদাম কর্মীদের বেতন বাড়ানোসংক্রান্ত দাবির মুখে পড়েছে। ২৫ জানুয়ারি গুদামগুলোয় কর্মরত প্রায় ৩০০ কর্মী এ নিয়ে ধর্মঘটে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//