
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের উন্নয়নে প্রাইভেট সেক্টরকে আরও বেশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
তিনি বলেন, আমি প্রাইভেট সেক্টরকে অনুরোধ করব আরও বেশি সরকারের সাথে কোলাবোরেশান করে নতুন নতুন পণ্য নিয়ে আসার। আপনাদের অনুরোধ করব সরকারের সঙ্গে আরও বেশি কোলাবোরেশান করার জন্য।
রবিবার (১২ মার্চ) লিভারেজিং গ্রোয়িং মিডল অ্যান্ড এফুলেন্ট ক্লাস ফর এ ভাইব্রেন্ট কনজুমার গুডস সেক্টর শীর্ষক এক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের এমডি রূপালী চৌধুরী।
রেস্টুরেন্টে অ্যাসোসিয়েশনের একজন প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশে খাদ্যের সনদ নিতে গেলে ১৭টা কর্তৃপক্ষের পারমিশন বা সনদ নেয়া লাগে। যা অনেক কষ্টকর, আর এটা আমিও মনে করি। কিন্তু খাদ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হওয়ায় এখানে অনেক বেশি সতর্ক থাকা লাগে।
গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিন দিনব্যাপী এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি একইদিন সামিটের অন্যতম আকর্ষণ ‘বেস্ট অব বাংলাদেশ এক্সপো’রও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) অলরেডি ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছে। ডিসিপ্লিনে এসেছে ই-কমার্স খাতে। ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে কাজ করছে দেশ। এ বিনিয়োগে আমাদের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এফবিসিসিআই।
সমাপনী বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, আমাদের দেশে ইলেক্ট্রিক ও ইলেকট্রনিকসের একটা শিল্প গড়ে উঠেছে। যাদের একটা উচ্চমাত্রার ডিউটি দেওয়া হচ্ছে। ২৬ সালের পরে এই ডিউটি কমিয়ে দিয়ে ডব্লিউটিওর আইন অনুযায়ী করতে হবে। নাহলে ডব্লিউটিও আমাদের নামে মামলা করবে।
তিনি বলেন, আমরা যেসব দেশে আরএমজি পণ্য রপ্তানি করি, তারা যেন তেন পণ্য নেয় না।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের এমডি ও সিইও জাবেদ আখতার বলেন, আমরা শুধু আরবানে ফোকাস করে আছি। কিন্তজ ৬০ শতাংশ মানুষ রুরালে আছে সেটা আমরা ফোকাস করি না। তাই উচিত
এমসিসিআই সভাপতি মো. সায়ফুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমন পণ্য তৈরি করতে হবে যেন অন্যান্য দেশ এসব পণ্য খুঁজে এবং সেগুলো ব্যবহার করতে উদ্ভুদ্ধ হয়।
তুরস্ক বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেদায়েত অনুর উযদেন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অনেকদূর এগিয়েছে। বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে।
বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন সোসাইটির চেয়ারম্যান নকিব খান বলেন, ফুড সাপ্লাই চেইন অনেক গুরুত্বপূর্ণ, ফার্মাররা তাদের ন্যায্য পায় না, মেগা প্রকল্প সামনে তৈরি হচ্ছে, ফুড সেফটি অনেক ক্রুশিয়াল, এই এরিয়াটাতে আমাদের অনেক ফোকাস করতে হবে
এপেক্স ফুটওয়্যারের এমডি নাসিম মনজুর বলেন, আমরা চামড়া খাতে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি, অনেক কোলাবোরেশান করছি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কোলাবরেট করেছি, আরএমজি খাত যেভাবে এগিয়েছে যদি তা না হতো আমরা এখানে হতে পারতাম না। গবেষণাতে কোনো ট্যাক্স ইনসেন্টিভ নাই, তাই এটাই উপযুক্ত সময় আরও বেশি গবেষণার মাধ্যমে আমরা খাতগুলোকে এগিয়ে নিতে পারি।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ম্যারিকো বাংলাদেশের এমডি রজত দিবাকর, সিঙ্গার বাংলাদেশের এমডি ও সিইও এম এইচ এম ফাইরুজ প্রমুখ।
বিনিয়োগবার্তা/কেএইচকে/এসএএম//