
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেছেন, গভীর সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশ দু’টির সামনে এখনো আরও অনেক সুযোগ রয়েছে, যা কাজে লাগানো হলে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে।
সোমবার (১৫ মে, ২০২৩) তিনি ঢাকায় অষ্ট্রেলিয়া সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী, টিম ওয়াটস এমপি’র (Hon Tim Watts MP) সঙ্গে সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন।
সভায় অষ্ট্রেলিয়ান ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড, অষ্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ সেকশন এর পরিচালক ব্রেন্ডন হজসন (Brendan Hodgson) এবং সহকারী সচিব, ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল, মেগান জোনস (Megan Jones), লুইসা বোচনার (Louisa Bochner), উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রীর কার্যালয় এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার (Jeremy Bruer) উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি; মহিবুল হাসান চৌধুরী, এমপি, শিক্ষা উপমন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার এবং রাসেল টি আহমেদ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি।
তারা অষ্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাব্য ক্ষেত্রসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সম্ভাবনা এবং প্রবৃদ্ধির গতি অব্যাহত রাখার প্রস্তুতিসহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান অষ্ট্রেলিয়া সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রীকে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্যাপক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ অষ্ট্রেলিয়া থেকে আরও কটন ও উল আমদানি করতে আগ্রহী।
বিজিএমইএ সভাপতি অষ্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র বিষয়ক সহকারী মন্ত্রীকে আগামি ১৮ জুলাই ২০২৩ তারিখে অষ্ট্রেলিয়ায় বিজিএমইএ এর উদ্যোগে আয়োজিতব্য বাংলাদেশ অ্যাপারেল সামিট বিষয়ে অবহিত করেন এবং অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতা প্রদানের অনুরোধ জানান।
তিনি টেক্সটাইল, পোশাক, ফ্যাশন, ডিজাইন এবং ব্যবসা প্রভৃতি বিষয়ে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এর শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে অষ্ট্রেলিয়ার শীর্ষ স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর সহযোগিতার মাধ্যমে অষ্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশের জন্য অষ্ট্রেলিয়ার শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের জন্য অষ্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
ফারুক হাসান আরও বলেন, “এটি এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখতে সহায়তা করবে।”
বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই/এসএএম//