Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Monday, 22 May 2023 06:00
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতের সংকট কিছুটা কাটলেও এখনো পুরোপুরি উত্তরণ হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন।

তিনি বলেন, ২০২২ সালে বহির্বিশ্বের কারণে দেশে যে অর্থনৈতিক মন্দা, সামষ্টিক অর্থনীতির যে চাপ, রিজার্ভের যে সংকট গেছে তা গত ৩৫ বছর দেখেনি দেশের ব্যাংক খাত।’

‘গত বছরের জুন-জুলাইয়ে ভয়াবহ মন্দাতে গেছে দেশ। এ বছরেই টাকার মান কমেছে ২৫ শতাংশ যা অকল্পনীয়’ এমন মন্তব্য করে এবিবি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ডলার সংকট কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি শুরু করায় মূলত তারল্য সংকট দেখা দেয়। তবে সংকটের মধ্যেও কোনো ব্যাংকের আমানতকারীরা টাকা তুলতে পারেনি এমন হয়নি। তারল্য ব্যাংক খাতের কোনো চ্যালেঞ্জ নয়।’

সোমবার (২২ মে) ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অফিসে এবিবি আয়োজিত ‘ব্যাংকিং সেক্টর আউটলুক-২০২৩’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ একটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘এই সমস্যা সমাধানে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এছাড়া এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।’ এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘রেমিট্যান্সের ডলারের শুধু দাম নির্ধারণ করলেই হবে না। আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য কী ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাও দেখতে। এসব প্রবাসী এয়ারপোর্টে কোনো ধরনের ভালো সুবিধা পান না। তাদের কোনো ধরনের কাজ সম্পর্কে শেখানো হয় না। অন্যান্য দেশে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং দেওয়া হয়, যা আমাদের দেশে দেওয়া হয় না।’

এতে প্রবাসীরা অনেক পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করেন তিনি।

এ সময় আগামী জুলাই থেকে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার (বিশেষ করে ডলার) একক দাম চালু হতে যাচ্ছে জানিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘একইসঙ্গে দাম নির্ধারণের বিষয়টি বাজারের ওপর ছেড়ে দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।’

এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘সুদের হার বাজারভিত্তিক হওয়া কতটুকু প্রয়োজন তা নিয়ে চিন্তা করা উচিত। ৬ ও ৯ শতাংশ হারে যে সুদহার বেধে দেওয়া হয়েছিল তা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেছে। এখন আসছে মুদ্রানীতিতে যদি সুদহারে ক্যাপ তুলে দেওয়া হয় তারপরও তা বাজারভিত্তিক হবে না বলে মনে করে এবিবি। তবে এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘গেল বছর থেকে এখন স্বস্তিতে ফিরছে দেশের ব্যাংক খাত। দুই কিংবা একটা ব্যাংক ছাড়া কোনো ব্যাংকে ডেফার পেমেন্ট বাকি নেই। তবে ২০১৮ বা ২০১৯ সালের মতো অবস্থায় আসতে এখনো বেশ সময় লাগবে।’

বিনিয়োগবার্তা/এনএএস//