Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Friday, 16 Jun 2023 06:00
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

ড: মিহির কুমার রায়: গতানুগতিক ভাবেই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কম, যা গত এক দশক ধরে বাংলাদেশ গড়ে জিডিপির শতকরা মাত্র ২ ভাগ বা তারও কম আর বাজেটের মাত্র ৫ শতাংশ ব্যয় করছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন। উন্নত দেশগুলোতে এই হার শতকরা ১০ থেকে প্রায় ২০ ভাগ। মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয়ের ক্ষেত্রেও দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে। দক্ষিণ এশিয়ার গড় মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় বাংলাদেশ থেকে ৪ গুণেরও বেশি। জানা গেছে, বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে এবার মোট বরাদ্দ ৩৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা। আগের বছর যা ছিল ৩৬ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। এ হিসাবে টাকার অঙ্কে বরাদ্দ বেড়েছে ১ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে যা ৩ শতাংশ। কিন্তু মোট বাজেটের বিবেচনায় বরাদ্দ কমেছে। এবার বাজেটের আকার ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ এর ৫ শতাংশ। আগের বছর যা ৫.৪০ শতাংশ ছিল। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলেছে, ২০২৪ সালে মোট উন্নয়ন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের অংশ ৪১ শতাংশ। আগের বছর যা ছিল ৫১ শতাংশ। এ ছাড়াও স্বাস্থ্য খাতে এবার বরাদ্দ জিডিপির ০.৭৬ শতাংশ। সিপিডি মনে করে স্বাস্থ্য খাতে এই বরাদ্দ একেবারেই যৌক্তিক নয়। কারণ বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ হওয়া উচিত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। দুই বছর আগে করোনাকালে সেটি স্পষ্ট হয়েছে। তারা বলছেন, এবার নামকাওয়াস্তে কয়েকটি ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে কর মওকুফের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও ওষুধের দামের বিষয় উপেক্ষিত হয়েছে। তাদের মতে, সর্বজনীন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর বিকল্প নেই।। বরাদ্দের গতানুগতিকতার কারণে আউট অব পকেট স্বাস্থ্য ব্যয় কমানো সম্ভব হচ্ছে না। মনে রাখতে হবে আমাদের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের মাত্র ২৩ শতাংশ আসে সরকারের বরাদ্দ থেকে আর ৬৮ শতাংশই বহন করতে হয় ব্যক্তিমালিকানায়। তাই বাজেটে স্বাস্থ্যের অংশ বাড়ানো গেলে নাগরিকদের ওপর চাপ কিছুটা কমত। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাস্তবায়নের অদক্ষতার কারণেই হয়তো স্বাস্থ্যের অংশটি বাড়ানো যাচ্ছে না। সর্বশেষ ২০২১-২২-এর মোট বরাদ্দের উন্নয়ন খাতে ২৪ শতাংশই বাস্তবায়ন করা যায়নি এবং স্বাস্থ্য গবেষনা খাতে ১০০ কোটি টাকার বরাদ্ধের একটি টাকাও খরচ হয়নি গবেষকের অনাগ্রহের কারনে যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ রয়েছে। 

বিশিষ্ট চিকিৎসা গবেষকদের মতে, এবার স্বাস্থ্য বাজেটকে পরিমাণের দিক থেকে বৃদ্ধি বলা হচ্ছে। কিন্তু আপেক্ষিকভাবে দেখলে বোঝা যায় বেশ কয়েক বছর ধরে মোট বাজেটের ৫ শতাংশের আশপাশে বরাদ্দ থাকত। এবার তা কমে ৪.৫৯ শতাংশে নেমে এসেছে। সেদিক থেকে এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কমেছে। বাজেটের আপেক্ষিক বৃদ্ধির পরিমাণটাকে ওইভাবে না চিন্তা করে শতাংশে ধরলে এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে স্বাস্থ্যে যে বাজেট দেওয়া হয় তা খরচ করতে পারে না। প্রতি বছরই কিছু ফেরত যায়। সে কারণে এবার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন খরচ করতে পারছে না, সেটি আগে খতিয়ে দেখা দরকার। যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি দেশের মোট বাজেটের ১২ শতাংশ বরাদ্দের কথা বলছে। বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাতেও  ১১.১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সেখানে বৃদ্ধির পরিবর্তে শতাংশের দিক থেকে কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রমাণ হচ্ছে স্বাস্থ্যে নজর কমে গেছে। বাজেটে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, যক্ষা ও ম্যালেরিয়া এই চারটি রোগের ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে কর মওকুফের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা সুলভ করতে দেশে প্রস্তুত হয় এমন নিরাময়যোগ্য ওষুধের ১০০টি কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য রোগের ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে। আবার দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে নারী ও শিশু সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়াপারের স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে ও উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (আগাম কর) ও সম্পূরক শুল্ক (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) অব্যাহতি সুবিধা মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ২৯ হাজার ৮৯০ জনকে বিশেষ সম্মানি ভাতা দেওয়া হয়েছে যার পরিমাণ ১৩৮ কোটি টাকা। এছাড়া মৃত্যুবরণকারী কর্মচারীর ২৪৫ পরিবার পেয়েছে স্বাস্থ্য বিমা ও জীবন বিমা, যার পরিমাণ ৭৫০ কোটি টাকা।

৭ই এপ্রিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, তা হলো ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ বা হেলথ ফর অল। বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়নসাধন করেছে, বিশেষ করে প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে। ফলে জীবনযাত্রার মানের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আর এ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রোগব্যাধির ধরনেও এসেছে পরিবর্তন। আধুনিক যুগে রোগব্যাধিরও উন্নতি হয়েছে। অনেক বড় বড় রোগ এখন ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। ব্যয়বহুল রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-হার্টের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস সমস্যা, ক্যানসার, পেটের সমস্যা, স্ট্রোক, হাড় ক্ষয়, টিউমার, নিউরো সমস্যা, থ্যালাসেমিয়া, থাইরয়েড ইত্যাদি। এসব ব্যয়বহুল রোগের কারণগুলো মোটামুটি একই রকম, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ভেজাল খাবার খাওয়া, পরিশ্রম না করা, অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া, ধূমপান, অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যাথানাশক ওষুধ সেবন এবং চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া। বড় রোগগুলোর আবার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা রয়েছে। লিভার সমস্যার মধ্যে রয়েছে লিভার ট্রান্সপ্লান্ট। কিডনি রোগের মধ্যে রয়েছে কিডনি ডায়ালাইসিস ও ট্রান্সপ্লান্ট। হার্টের সমস্যার মধ্যে রয়েছে-হার্ট অ্যাটাক, রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য রিং ব্যবহার, বাইপাস সার্জারি। ক্যানসারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় টিউমার, যার মধ্যে ব্রেইন টিউমার অন্যতম। দেশে বর্তমানে এসব রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা লাখ লাখ, যাদের বেশির ভাগই গরিব মানুষ। প্রতিটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দেখলে বিষয়টি সহজেই বোঝা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, দেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ, যা ২০৩৫ সালে দাঁড়াবে ৩২ লাখে। প্রতিবছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে ২ লাখ মানুষ। বর্তমানে ক্যানসারজনিত মৃত্যু ১.৫ লাখ। জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ বা দুই কোটি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা ২০২১ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। দেশে বছরে ২ লাখ ৭৭ হাজার মানুষ মারা যায় হার্টের সমস্যায়। পৃথিবীর অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কম বয়সে হার্টের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গবেষণা অনুযায়ী, উন্নত বিশ্বের তুলনায় এ হার ১৭ গুণ বেশি। সাধারণত ৬০ বছর বয়সে প্রথম হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে ৩৫ বছরের কম বয়সি অনেক মানুষের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের ৫৪ কোটিরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। বাংলাদেশে এ সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখের মতো। আক্রান্তদের অর্ধেকের বেশি মানুষ জানে না নিজের রোগটি সম্পর্কে। ডায়াবেটিস রোগের কারণে বাড়ছে অন্ধত্ব, হার্টের সমস্যা, কিডনি রোগ, স্ট্রোকের ঝুঁকি। লিভার রোগে আক্রান্ত রোগীর সঠিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশে না থাকলেও তথ্যমতে, দেশে প্রায় ৪.৫ কোটি মানুষ লিভার রোগে আক্রান্ত এবং ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিসে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। রোগীর সংখ্যা কমাতে না পারলে বিপুলসংখ্যক রোগীর চিকিৎসা করা আমাদের দেশের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কিছু রোগের জন্য রোগী দায়ী থাকলেও অনেক ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের অবহেলাও এর জন্য দায়ী; যেমন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধের কারণে সৃষ্ট রোগের জন্য দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করাই যায়। তাদের নিয়ন্ত্রণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই হয় ভেজাল খাদ্য বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে হবে। বাংলাদেশ যদিও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় অনেক উন্নতি করেছে, কিন্তু বড় রোগের চিকিৎসায় কোটি কোটি রোগীকে টেকসই সেবা দিতে পারছে না। তাহলে গরিব মানুষের ব্যয়বহুল চিকিৎসার দায়িত্ব কে নেবে? অবশ্যই সরকারকে নিতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী, সবার জন্য বড় রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। মনে রাখতে হবে, কোটি কোটি অসুস্থ নাগরিক নিয়ে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়। তাই রোগের সব উৎস যে কোনো উপায়ে বন্ধ করতে হবে।

সরকার আগামীর বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে প্রতিটি জনশক্তি স্মার্ট হবে, সবাই প্রতিটি কাজ অনলাইনে করতে শিখবে, ইকোনমি হবে ই-ইকোনমি, যাতে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল ডিভাইসে করতে হবে, আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মযোগ্যতা সবকিছুই ই-গভর্ন্যান্সের মাধ্যমে হবে, ই-এডুকেশন, ই-হেলথসহ সব কিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ এগুলো করা সম্ভব হবে এবং সেটা মাথায় রেখেই কাজ চলছে, কিন্তু বাজেটে এর তেমন কোনো প্রতিফলন সেভাবে নেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বয়ং নিজেই বলেছেন স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্ধ কম। কিন্তু সরকারের বক্তব্য হলো বাজেটের টাকা উন্নয়ন খাতে খরচ করার মত সক্ষমতা স্বাস্থ্য দফতরের নেই। তাই সরকারী চিকিৎসকদের ব্যবসা বন্ধ করে সেবায় মনোনিবেশ করতে হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে অধিক সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।  তা হলেই দেশের রোগীদের আর অর্থ খরচ করে প্রতিবেশী দেশ ভারতে গমন করতে হবে না এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। মনে রাখতে হবে সুস্থ জাতি মানেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। স্মার্ট বাংলাদেশে শতভাগ ডিজিটাল অর্থনীতি আর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক স্বাক্ষরতা অর্জিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে যাবে সবার দোরগোড়ায, স্বযংক্রিয় যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেকসই নগরায়ণসহ নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব সেবা হাতের নাগালে থাকবে এই হলো আমাদের প্রত্যাশা।

লেকক: অর্থনীতিবিদ. গবেষক, সিন্ডিকেট সদস্য ও ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।

বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই/এসএএম//