Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Sunday, 14 Jun 2026 09:01
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

বেনাপোল প্রতিনিধি, বিনিয়োগবার্তা: যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম গতকাল মঙ্গলবার থেকে সপ্তাহে সাত দিনই ২৪ ঘণ্টা চালু হয়েছে। একইসঙ্গে পণ্যের শুল্কায়নের জন্য কাস্টম হাউসও খোলা থাকছে। তবে বন্দরের পণ্যে ওঠানো-নামানো যন্ত্র ও জনবল সংকটের কারণে সুবিধাটি কতটা কাজে আসবে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনতে দুই দেশের সরকার একমত হয়ে এ ব্যবস্থা নিয়েছে। বন্দর ও কাস্টম সব দিন খোলা রাখতে ইতিমধ্যে ইকুইপমেন্ট (যন্ত্রপাতি) ঠিকাদার, শ্রমিক হ্যান্ডলিং ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, কাস্টম হাউসে ৩৪১ জন কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও আছে ২০১ জন। আর বন্দরে ১২৮ পদের বিপরীতে আছে ১০৫ জন কর্মচারী। সপ্তাহের সাত দিনই ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালানোর জন্য আরও ৩৬২ জন জনবল চেয়ে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দর প্রশাসন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) রেজাউল করিম বলেন, ২৪ ঘণ্টা বন্দর খোলা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানোর জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ইকুইপমেন্ট ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি প্রস্তুত রাখার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অবশ্য বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. শওকাত হোসেন বলেন, ‘২৪ ঘণ্টা কাস্টম ও বন্দর খুলে রেখে কাজ করার সরকারি নির্দেশ মোতাবেক ২৫ জন কর্মচারী পাওয়া গেছে। আরও ১৪০ জন কর্মচারী নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে।’

কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ভারতের পেট্রাপোল ও বাংলাদেশের বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাকের ভয়াবহ পণ্য ও যানজট লেগেই থাকে। এ জন্য উভয় পাশে ব্যবসায়ীরা দ্রুত মালামাল খালাস করতে পারেন না। বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার জন্য ইতিমধ্যে বন্দর এবং কাস্টমের সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বন্দরের সার্বিক অব্যবস্থাপনার কথা উঠে আসে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান বলেন, ‘বন্দরের ধারণক্ষমতা ২০-২৫ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু দুই লাখ মেট্রিক টনের মতো পণ্য আছে। আমদানি করা পণ্যসামগ্রী খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে। পণ্য ওঠানো-নামানোর ক্রেন ও ফর্কলিফটের কয়েকটি প্রায়ই নষ্ট থাকে।’

(এসএএম/ ০২ আগস্ট ২০১৭)