
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেটে ৬ বছরের টেস্ট অধিনায়কত্বের সমাপ্তি টানলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম। তাকে সরিয়ে অধিনায়ক করা হয়েছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। আর সাকিবের সহকারি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে।
জানুয়ারিতে আসন্ন শ্রীলঙ্কা সিরিজে তাদের দু’জনকে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের ভূমিকায দেখা যাবে।
এর মধ্য দিয়ে ২০১১ সালে হারানো অধিনায়কত্ব ফিরে পেলেন সাকিব। ২০১১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জিম্বাবুয়ে সিরিজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর সাকিবের কাছ থেকে ব্যাটন ছিনিয়ে তা তুলে দেয়া হয় মুশফিককে। তখন থেকে তিন ফরম্যটেরই নেতৃত্ব দেন এই ডানহাতি মিডল অর্ডার। কিন্তু ২০১৪ সালে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বভার তুল দেয়া হয় মাশরাফি বিন মর্তুজাকে।
রোবববার (১০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভা শেষে সাকিবের অধিনায়কত্বের ঘোষণা দেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
এ প্রসঙ্গে পাপন বলেন, ‘আমরা টেস্ট অধিনায়ক বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে আমারদের টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং সহ-অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।’
মুশফিককে সাদা পোশাকে টাইগারদের অধিনায়ক থেকে সরানোর কারণ হিসেবে পাপনের যুক্তি হলো, ‘আমরা মুশফিকের সেরা ব্যাটিং দেখতে চাই। সে ব্যাটিংয়েই মনযোগ দিক। তাকে আমরা চাপমুক্ত করতে চাচ্ছি। ওভারঅল আমরা সামনে ৪-৫ বছেরর যে পরিকল্পনা নিয়েছি, এটি তারই একটি অংশ। তামিম টি-টোয়ন্টিতে ছিলো সেখানেই থাকবে।’
২০০৯ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজা চোটে পড়লে নেতৃত্ব পান সাকিব। ৯ টেস্টে অধিনায়কত্ব করে মাত্র ১টিতে জয় পেয়েছিলেন সাকিব। বাকি আটটিতেই ছিলো হার।
তবে টেস্টে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচাইতে সফল অধিনায়ক কিন্তু মুশফিকই। এই ফরম্যাটে সবচাইতে বেশি সাফল্য তার হাত ধরেই এসেছে। সাদা পোশাকে বাংলাদেশ যে ১০টি জয় পেয়েছে তার ৭টিই তার হাত ধরে এসেছে। আর তার অধীনে ড্র হয়েছে ৯টি টেস্ট। হার ১৮টি ম্যাচ।তার অধীনে বাংলাদেশ ৩৪টি টেস্ট খেলেছে।
(এএইচএন / ১০ ডিসেম্বর ২০১৭)