
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: ব্যক্তিগত ৩’শ রান করে রকিবুলের রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারলেন না নাসির হোসেন। মাত্র ৫ রান দূরে থেকে ফিরে গেলেন ২৯৫ রানে। অথচ ব্যক্তিগত ২৭০ রানে রংপুর বিভাগের হয়ে নাসির হোসেন যখন তৃতীয় দিন শেষ করলেন তখন অনেকেই আশা করেছিলেন ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ফতুল্লায় বরিশালে হয়ে সিলেটের বিপক্ষে রকিবুল হাসানের ৩’শ (৩১৩) রানের সেই ইনিংসটি ছুঁয়ে ফেলবেন। উঠে যাবেন নতুন এক উচ্চতায়।
কিন্তু পারলেন না। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনের একঘণ্টা অতিক্রম না হতেই লিখন দে সঞ্জয়ের বল তার অনন্য উচ্চতার পথে বাঁধ সাধলো। ১৭৭তম ওভারে তার চতুর্থ ডেলিভারিতে ব্যক্তিগত ২৯৫ রানে ফজলে রাব্বির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে নিজের সেরা ইনিংসের সমাপ্তি টানলেন নাসির।
তাতে রকিবুল হাসানকে ছুঁতে পারেননি ঠিক। কিন্তু ছাড়িয়ে গেছেন এতদিন তার আগে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ২৮২ ও মার্শাল আইয়ুবের ২৮৯ রানকেও। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রাহক এখন তিনিই।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জাতীয় ক্রিকেট লিগের চলতি মৌসুমের শেষ রাউন্ডের চতুর্থ দিনে খেলতে নেমেছিলেন তৃতীয় দিনের ২৭০ রান নিয়ে। মাত্র ৩০ রান থেকে দূরে ছিলেন। তাই খেলেছেন বেশ সন্তর্পণে।
কিন্তু তাতে শেষ রক্ষা হলো না এই রংপুর মিডল অর্ডারের। ফিরে গেলেন ২৯৫ রানে। আর এই রান সংগ্রহ করতে নাসির খেলেছেন ৫১০ বল। যেখানে চারের মার ছিল ৩২টি আর ছয়ের মার ৩টি।
তার ব্যাটের এই রান বন্যায় ৭ উইকেটে ৬১৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে রংপুর। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বরিশাল বিভাগ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৪ রান।
প্রথম ইনিংসে বরিশাল বিভাগের সংগ্রহ ছিল ৩৩৫ রান। যেখানে ৯৯ রানে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ সংগ্রাহক ছিলেন দলের স্পিন অলরাউন্ডার সোহাগ গাজী।
(এএইচএন/ ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৭)