
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগের সর্বনিম্ন বয়সসীমা ৪০ কেন অবৈধ ও বেআইনী হবে না- তা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে প্রবিধানটি কেন সংশোধন করা হবে না- তা আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এবং একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। জনস্বার্থে এ রিট আবেদন করেন অ্যাডভোকেট তনয় কুমার সাহা।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), আইডিআরএ চেয়ারম্যান, আইডিআরএ সদস্য (আইন), আইডিআরএ সদস্য (জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিপার্টমেন্ট)-কে এ রিট মামলার বিবাদী করা হয়েছে।
বীমা কোম্পানি (মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ) প্রবিধানমালা, ২০১২ এর ৫(চ) এ বর্ণিত সর্বনিম্ন বয়স সীমা ৪০। এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে এ রিট আবেদন করা হয়। আবেদনে প্রবিধানটি স্থাগিতাদেশও চাওয়া হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তনয় কুমার সাহা।
অ্যাডভোকেট তনয় কুমার সাহা অর্থসূচককে বলেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাতের সবচেয়ে বড় হলো ব্যাংকিং খাত। সে তুলনায় বিমা খাত অনেক ছোট। একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হওয়ার বয়সের সর্বোচ্চ সীমা দেওয়া থাকলেও সর্বনিম্ন বয়সসীমা দেওয়া নেই।
তিনি বলেন, অথচ বীমা কোম্পানির এমডি হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন ৪০ বছরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যেখানে এমডি হওয়ার যে যোগ্যতা সেটি ৩০ বছরের মধ্যেই অর্জন করা সম্ভব। আইডিআরের করা প্রবিধানের মাধ্যমে তরুণদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে আমার মনে হয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনা করে জনস্বার্থে এ রিটটি করেছি।
(এসএএম/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)