Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Thursday, 30 Jul 2026 00:00
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: গ্রাহকের বীমা দাবির টাকা পরিশোধ না করায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন রাজবাড়ীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

বীমা দাবির টাকা পরিশোধ না করায় ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম এবং ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪১৮/৪২০ ধারায় মামলা করেন রাজবাড়ীর মো. রফিকুল ইসলাম বাবু।

সেই মামলায় রোববার ১ নম্বর আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুজ্জামান এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জরি করেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান সুজন।

তিনি বলেন, চার্জ হেয়ারিংয়ের জন্য তিনটি ডেট ইতিমধ্যে চলে গেছে। আজ চার নম্বর ডেট ছিল। ফারইষ্টের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম টাইম পিটিশন করেছিলেন। আদালত তার সময় বাড়ানোর আবেদন না মঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। সেই সঙ্গে দণ্ডবিধি ৪২০ ধারায় অভিযোগ গঠন করে সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন।

মিজানুর রহমান সুজন বলেন,  রোববার নজরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে অপর আসামি ব্রাঞ্চ কো-অর্ডিনেটর মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন। তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

ফারইস্ট লাইফের বীমা গ্রাহক রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ফারইস্ট লাইফ আমাকে বীমা দাবির টাকা পরিশোধ না করে, হয়রানি করায় আদালতের দ্বারস্থ হই। আদালত ফারইস্ট লাইফের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

রফিকুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী স্বপ্না পারভীন ২০১৫ সালের ২৮ জুন ফারইস্ট ইসলামী লাইফে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি পলিসি করেন। পলিসি নম্বর-১২৬০০০০২০১-৩। এর সাত মাস পরে ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি স্বপ্না পারভীন মারা যান।

স্ত্রী মারা যাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যু দাবির টাকা আদায়ে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ফরিদপুর সার্ভিসিং সেলে আবেদন করেন রফিকুল ইসলাম। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে পাঁচ মাস পর ১৯ জুলাই ফারইস্ট ইসলামী লাইফ থেকে ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।

অথচ পলিসির শর্ত অনুসারে ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করার কথা। যে কারণে পরবর্তীতে বাকি টাকা আদায়ে কোম্পানিতে যোগাযোগ করেন রফিকুল। এ সময় এত বড় অংকের টাকা একবারে দিতে পারবে না বলে জানায় ফরিদপুর সার্ভিসিং সেলের কর্মকর্তারা। কিন্তু এর কিছু দিন পরেই কর্মকর্তারা জানান তিনি আর কোনো টাকা পাবেন না।

এ অবস্থায় দাবির টাকা আদায়ে দুইবার উকিল নোটিশ করেন রফিকুল ইসলাম। এতেও কোম্পানি থেকে টাকা পরিশোধ না করায় ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ রাজবাড়ীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলী আদালতে মামলা করেন বলে জানান রফিকুল ইসলাম।

(এসএএম/ ০৮ এপ্রিল ২০১৮)