
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: কুমিল্লায় দায়ের করা দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৬ মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে নড়াইলে দায়ের করা মানহানির মামলায় তার জামিন আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ মে) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।
গত ২০ মে কুমিল্লা ও নড়াইলের তিন মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়া আবেদন করেন।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মমতাজ উদ্দিন ফকির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ড. মো. বশির উল্লাহ, এ কে এম দাউদুর রহমান মিনা, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মো. মাহমুদুল করিম রতন ও মো. শফিকুজ্জামান রানা।
গত ২২ ও ২৩ মে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। ২০ মে কুমিল্লা ও নড়াইলের তিন মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করেন। এর আগে গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। ওই দিন থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় করাগারে বন্দি রয়েছেন। তবে এ মামলায় হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ থেকে জামিন পেলেও তার বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর কারণে আপাতত তিনি জামিনে বের হতে পারছেন না। কারাবন্দি থেকে মুক্ত হতে তাকে এসব মামলায় জামিন পেতে হবে।
(এমআইআর/ ২৮ মে ২০১৮)