
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, চট্টগ্রাম: ব্যাংকের ঋণ কিছু কর্পোরেট মানুষের হাতে আটকে আছে; এতে সম্পদের বৈষম্য বাড়ছে। এ বৈষম্য নিরসনে নতুন গ্রাহকের কাছে ব্যাংকের ঋণ পৌঁছে দিতে চাই আমরা। এতে ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী উঠে আসবে।
চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদের ক্রিস্টাল বলরুমে অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলনে এসব কথা বলেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শ্রেণিকৃত খেলাপি ঋণ আমাদের গলার কাঁটা। আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও বাণিজ্যিক ঋণ বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করে। তাই বিনিয়োগকারীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে সুদের হার কমানো হচ্ছে।
শেখ ওয়াহিদ-উজ-জামান বলেন, নারীরা এগিয়ে না এলে কখনও সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমাজের উন্নয়নে নারী উদ্যোক্তা বাড়াতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং আত্মমানবতার সেবাসহ মানুষের কল্যাণই আমাদের লক্ষ্য। প্রতিযোগিতামূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বাণিজ্য সম্প্রসারণের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, জনতা ব্যাংককে একটি স্বনামধ্য ব্যাংক। একে ব্র্যান্ডে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদানে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
জনতা ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড এমডি আবদুস সালাম বলেন, জনতা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই বাংকের সুনাম আমাদের ধরে রাখতে হবে। উন্নত গ্রাহকসেবা দেওয়ার ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।
ব্যবস্থাপকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয়- সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধি ও নিজেদের আত্মসমালোচনা করতে হবে। সিস্টেম লসের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি ছিলেন ডিএমডি মো. আবদুছ ছালাম আজাদ ও ডিএমডি মো. নাজিম উদ্দিন।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মো. কামরুল আহসান, মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী, মো. আবদুর রশিদ, মো. সিরাজুল করিম মজুমদার, ফারুক আহমদ, সরোয়ার কামাল, এজিএম মো. নুরুচ্ছাফা ও মোহাম্মদ জাকারিয়া, ব্যবস্থাপক পিন্টু কুমার সেন, শোভরাজ চক্রবর্তী, মোশারফ হোসেন মো. কুতুব উদ্দিন, আসিফ হাসান, কামরুন নাহার, তানজিরা তাহমিদ, মৌসুমী নাথ প্রমুখ।
(এসএএম/ ০১ এপ্রিল ২০১৭)