
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: বাংলাদেশে ‘অ্যাড ব্রেকস’ সুবিধা চালু করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।
বুধবার (০৭ নভেম্বর) থেকে ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে আপলোড করা ভিডিওতে বাংলা এবং ইংরেজি উভয়ই ভাষায় এই সুবিধা পাবেন। যোগ্য প্রকাশক ও নির্মাতারা এখন অ্যাড ব্রেকস সুবিধার মাধ্যমে ফেসবুকে দেওয়া দীর্ঘ সময়ের ভিডিওগুলো থেকে আয় করতে পারবেন ও পেজের ফলোয়ার বাড়াতে পারবেন।
বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় এই সুবিধা চালুর উদ্যোগ হিসেবে ফেসবুক বাংলাদেশেও এই সেবা সম্প্রসারিত করলো।
ফেসবুক জানে, বিভিন্ন দেশের প্রকাশক ও নির্মাতারা সব সময় তাদের ফেসবুকের ফলোয়ারদের সাথে থাকতে ভালো ভালো ভিডিও তৈরি করে এবং সেটা আপলোড করে। তাই সেসব প্রকাশক ও নির্মাতাদের সহয়তা দিতে সুযোগ তৈরি করেছে ফেসবুক।
‘অ্যাড ব্রেকস’-এ যোগ দিতে প্রকাশক ও নির্মাতারা ভিজিট করতে পারেন এই ঠিকানায় fb.me/joinadbreaks, Creator Studio অথবা তাদের পেজের ভিডিও ইনসাইট অপশনে। যেখানে যাদের দক্ষতা শর্তের সাথে মিলবে না, তারা ফেসবুক ফলোয়ার, ভিডিও ভিউয়ার এবং মনিটাইজেশন এলিজিবিলিটি স্ট্যান্ডার্ডস্ কমপ্লায়েন্সের ওপর একটি গ্রাফিক্স প্রেজেন্টেশন দেখতে পাবেন। যেখানে প্রতিটি পেজের যোগ্যতা অর্জনের অগ্রগতি ট্র্যাক করা যাবে।
মনিটাইজেশন এলিজিবিলিটি স্ট্যান্ডার্ডস্ কমপ্লায়েন্সের বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রকাশক ও ক্রিয়েটর স্টুডিওতে একটি নতুন ভিজ্যুয়ালাইজেশন দেখতে পারবেন। যা নির্দেশ করবে পলিসি ভঙ্গ করা হলে ফেসবুক থেকে আয় করার উপর তাদের যোগ্যতার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও সেখানে তারা নিয়ম ভঙ্গের তালিকা দখতে পারবেন এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওই তালিকা থেকে সরাসরি আপিল করতে পারবেন।
যখনই প্রকাশক ও নির্মাতারা অ্যাড ব্রেকস’র জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন সেই মুহূর্তেই তাদের আপলোড করা ভিডিওতে অ্যাড চালু করতে পারবেন। এছাড়াও যোগ্য হওয়ার পর ফেসবুক পেজগুলো একসাথে একাধিক ভিডিও আপলোড করার মাধ্যমে তাদের পেজের উপস্থিতি বৃদ্ধি করতে পারবেন এবং সেখান থেকে আয় করতে পারবেন।
সাফল্যের জন্য প্রোগ্রামের সবচেয়ে ভালো প্র্যাকটিস
অ্যাড ব্রেকস যোগ্যতা অর্জন ও ব্যবস্থাপনা এবং ন্যয্য অর্থ উপার্জন নির্ভর করবে কনটেন্টের ওপর, যা দেখে দর্শকরা এ ধরনের ভিডিও দেখার জন্য আবারও ওই পেজে ফিরে আসবেন। যেখানে ফেসবুকের এলিজিবিলিটি স্ট্যান্ডার্ডস্ শুধুমাত্র প্রকাশক ও নির্মাতাদের অ্যাড ব্রেকের মাধ্যমে আয় নিশ্চিত করতে প্রাথমিক গাইড লাইন দিতে পারে, তবে ভালো কাজটি তাদের নিজেদেরই তৈরি করতে হবে। লক্ষ্য করা গেছে,নিচের বিষয়গুলোতে কাজ করে প্রকাশক ও নির্মাতারা বেশি সাফল্য পেয়েছেন।
‘‘ফেসবুকের মাধ্যমে আয় খুবই সাধারণ, সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন। এটা ব্যবহার করা খুবই সহজ ও ব্যবহারের একটি স্পষ্ট প্রক্রিয়া আছে। একটি অর্থপূর্ণ কমিউনিটি গড়ে তোলা আমার জীবনে সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্যপূর্ণ ও অর্জিত অর্জনের মধ্যে একটি। বিশ্বব্যাপী ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে, যা আমাদের জন্য আর্শিবাদ এবং এটা করতে পেরে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। এটা মানুষের জীবনযাত্রার রূপান্তর এবং বিশ্বব্যাপী ব্যতিক্রম কিছু করার মানসিকতার ফল। আমি ফেসবুকের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম পেয়ে খুবই খুশি, যে প্ল্যাটফর্ম আমার কথা লাখ লাখ মানুষের সাথে শেয়ার করতে সাহায্য করেছে।’’ – জয় শেঠি
(এসএএম/ ০৭ নভেম্বর ২০১৮)