Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়
Tuesday, 16 Jun 2026 19:24
Biniyougbarta | বিনিয়োগবার্তা: ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-বিনিয়োগের খবর প্রতিদিন সবসময়

মেজবা উদ্দিন টুটুল, ভোলা প্রতিনিধি, বিনিয়োগবার্তা: ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার মন্নান মিয়ার নামে মিথ্যা চুরির দায়ে  কিশোরকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠেছে।

জানা যায়, গত ২৮ আগষ্ট সন্ধ্যায় ভোলার শিবপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে অটোরিক্সার ব্যাটারি চুরির অপবাদে সোহেল (১৬) সহ সালাউদ্দীন ও নোমান নামের তিন কিশোরকে অমানবিক মধ্যযুগীয় কায়দায় রিক্সার গ্যারেজ তালাবদ্ধ করে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় বর্তামান ইউপি  সদস্য  মন্নান মেম্বারের নামে এ অভিযোগ ওঠে। এতে সোহেলের অবস্থা আশঙ্কা জনক ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক ভাবে জখম হয় এবং সে ঘটনা স্থালে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে।

সম্প্রতি ভোলা শিবপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জুডুনী বাড়ির সামনে রিক্সার গ্যারজে তালাবদ্ধ করে কোন তথ্য প্রমান, অভিযোগ ও আলামত ছাড়া সন্দেহের বসে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরির অভিযোগ এনে একই এলাকার আবু মাতব্বর বাড়ির খোকন এর ছোট ছেলে সোহেল (১৬) পাটোয়ারী বাড়ির আব্দুল খালেক এর ছেলে সালাহউদ্দিন এবং মোঃ ভুট্টো মিয়ার ছেলে নোমানের হাত ও পা বেঁধে তালাবদ্ধ রিক্সার গ্যরেজে  মধ্যযুগীয় কায়দায় শিবপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মন্নান মিয়া ও তার সহযোগীরা নির্যাতন করেন।

এ বিষয়ে সোহেলের নানু বিবি বিউটি বিনিয়োগবার্তা’কে জানান,  আমার নাতির বিরুদ্ধে কোন তথ্য প্রমান ছাড়া এ ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে মন্নান মেম্বার এ নির্যাতন করেন ও ব্যাটারি বাবদ নগদ ৫০ হাজার টাকা দিতে বলেন এবং সে নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি আমার নাতি ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসারত ছিলো মন্নান মেম্বার দেখতে যায় এবং আমার নাতি সুস্থ না হতেই নানাভাবে চাপসৃষ্টি করে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে দেন। এখন আমার নাতি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

এই প্রতিবেদক তদন্তে যাওয়ার পরে স্থানীয়রা জানান সোহেল সহ বাকি দুই কিশোরকে যে ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে তা সম্পন্ন অমানবিক। সোহেলদের বিরুদ্ধে চুরির কোন অভিযোগ ও চুরির কোন আলামত না পেয়েই এ নির্যাতন করা হয়। নাম বলতে অনিচ্ছুক এমন অনেকেই বলেন মন্নান মেম্বার টাকা ছাড়া কোন সালিশ বিচার করেনা যে টাকা দিবে তার পক্ষেই রায় দিয়ে দেয়। এমনকি বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতার জন্য টাকা নিয়ে থাকেন মন্নান মেম্বার।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মন্নান মেম্বারের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, আমি কোনো চুরির অভিযোগে সোহেলসহ বাকিদের গায়ে হাত তুলিনি। সোহেলের বাবা আমাকে শাসন করতে বললে আমি দুই একটা চর থাপ্পড় দেই।

(এমইউটি/এসএএম/০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯)