শার্শায় বৃদ্ধ’র বাড়িতে হামলা; নগদ টাকা, স্বর্ণলঙ্কার লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, বেনাপোল: যশোরের শার্শা উপজেলার বালুন্ডা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৯২ বছরের বৃদ্ধ জয়নাল আবেদ্বীনের বাড়িতে গভীর রাতে হামলা করে নগদ টাকা, স্বর্ণলঙ্কার লুট ও নির্মানাধীন বাড়ি ভাংচুর করেছে দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পিটিয়ে আহত করেছে বৃদ্ধ জয়নুল আবেদ্বীনের স্ত্রী ও ২ মেয়েকে।

 

মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টায় ঘটনাটি ঘটেছে।

 

এ ব্যাপারে বৃদ্ধ জয়নাল আবেদ্বীনের মেয়ে আসমা খাতুন বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শার্শার বালুন্ডা গ্রামের মৃত হাজী আমির আলী শেখের ছেলে   বৃদ্ধ জয়নাল আবেদ্বীন স্ত্রী ও ৩ মেয়ে নিয়ে বালুন্ডা গ্রামে বসবাস করেন। জয়নাল আবেদ্বীনের ২ ছেলে বিদেশ থাকে। এই সুযোগে বালুন্ডা গ্রামের প্রতিপক্ষ কেয়াম উদ্দিন ও আব্দুর রহিম এর নেতৃত্বে মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টায় গোলাম মোস্তফা, আব্দুল হাকিম, হাদিউজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, নুরুজ্জামান, মফিজুর রহমান, তরিকুল ইসলাম কালু, রাকিবুল হোসেন বুড়ো, আক্তারুজ্জামান, মনিরুজ্জামান, আশরাফুল, ইমরান হোসেন, নয়ন হোসেন, আব্দুল গফুর, আব্দুল মজিদসহ আরও ১০/১৫ জন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধ জয়নাল আবেদ্বীনের বাড়িতে হামলা করে।

 

এরপর দূর্বৃত্তরা ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে স্ত্রী ও ২ মেয়ে আসমা খাতুন ও সেলিন খাতুনকে মারপিট করে আহত করে। এ সময় দূর্বৃত্তরা ঘরের মধ্যে আসবাবপত্র ভাংচুর করে ১ লাখ ৩২ হাজার নগদ টাকা ও বিদেশী ২টি সোনার চেইন, ৩ জোড়া কানের দুল, ৩টি আংটি ও ১টি লাইট লুট করে নিয়ে যায়। আর্থিক অংকে যার ক্ষতির পরিমান প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। লুট করে চলে যাবার সময় জয়নুল আবেদ্বীনের নতুন নির্মিত ঘর ও প্রাচীর ভেঙ্গে দেয় দুর্বৃত্তরা।

 

এ ঘটনার পর থেকে বৃদ্ধ জয়নাল আবেদ্বীন তার পরিবার নিয়ে আতংকে রয়েছেন। কারন দূর্বৃত্তরা জয়নুল আবেদ্বীনের পরিবারকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। জয়নাল আবেদ্বীনের  পরিবারের অভিযোগ থানার ওসি মামলা নিতে গড়িমশি করছে। সাধারন জিডি করার পরামর্শ দিচ্ছে। বিষযটিতে প্রশাসনের দৃষ্টি প্রয়োজন বলে মেন করছেন স্থানীয়রা।

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইন চার্জ মামুন খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

(এমআই/এসএএম/২৯ জুলাই ২০২১)


Comment As:

Comment (0)