আইসিএসবিতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)।
বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। উদযাপন অনুষ্ঠানটি তিন ভাগে আয়োজন করা হয়। উদযাপনের শুরু হয় ভোরে সূর্য উদয়ের পর পরেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
বিকেলে আইসিএসবির সদস্যরা সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক পরিচালিত বিজয় দিবসের "শপথ গ্রহণ" অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সন্ধ্যায় “বিজয়ের পঞ্চাশ বছর - উন্নতির সোপানে উত্তরন” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মকবুল আহমেদ খান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও ভাইস চ্যান্সেলর, ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মকবুল আহমেদ খান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও ভাইস চ্যান্সেলর, ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। এটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বিপুল সংখ্যক আইসিএসবির কাউন্সিল মেম্বার, সদস্য, ছাত্র ও কর্মকর্তাগনের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয়।
ইসরাত জাহান রিমি এসিএস প্রোগ্রামটিতে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন এবং এই প্রোগ্রামের আমন্ত্রিত অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন।
আইসিএসবির ঢাকা রিজিওনাল চ্যাপ্টার সাব কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মানিক এফসিএস, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
আইসিএসবির প্রেসিডেন্ট মোজাফফর আহমেদ তার স্বাগত বক্তব্যে প্রফেসর ড. মকবুল আহমেদ খানকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তার বক্তব্যে বলেন যে, বাংলাদেশের জনগণের জন্য বিজয় দিবস, একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন যা শুধুমাত্র ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে আমরা গভীরভাবে স্মরণ করি। আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যে স্বপ্ন দেখেছিল সেভাবেই আমরা আমাদের জাতিকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাব। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এদেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক জীবনে অনেক উন্নয়ন ঘটেছে।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মকবুল আহমেদ খান বাংলাদেশের বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আইসিএসবিকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতার কথাগুলো বলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর বিভিন্ন তৎপরতা এবং পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর হাত থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কিভাবে গোপালগঞ্জ জেলাকে মুক্ত করতে পেরেছিলেন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের ও মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হবে।
এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় আইসিএসবির ঢাকা রিজিওনাল চ্যাপ্টার সাব কমিটি (ডিআরসি) ও মেম্বারস ওয়েল ফেয়ার এন্ড রিক্রিয়েশন সাব কমিটি এর যৌথ উদ্যোগে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইসিএসবি’র কাউন্সিল সদস্য, ফেলো ও এসোসিয়েট সদস্য, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাবৃন্দ। আলোচনা সভায় সম্মানিত সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
পরিশেষে ডিআরসির সদস্য সৈয়দ আমিমুল ইহসান এফসিএস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//



