বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধারা পাবেন ‘বীর নিবাস’
নিজস্ব প্রতিবেদক: সব বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর নিবাস’ নির্মাণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতস্বরূপ মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ তথ্য বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার অনুষ্ঠানস্থলে এবং ভার্চুয়ালি সব জেলা প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ৬৫৪ জন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত সব মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ক্রেস্ট-সম্মাননা স্মারক, উত্তরীয়, শাড়ি ও স্যুভেনিয়র প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ৬৫ জন মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এবং বাকিদের জেলা প্রশাসকরা তাদের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলার মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্রেস্ট/সম্মাননা স্মারক, উত্তরীয়, শাড়ি ও স্যুভেনিয়র প্রদান করেন।
মন্ত্রী বলেন, জেলা, উপজেলাসহ দেশের বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসা, ওষুধ, টেস্ট যা প্রয়োজন তার সবই প্রদান করা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়ার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের জায়গায় শিশুপার্ক নির্মাণ করেছিলেন। আমরা ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নির্দিষ্ট স্থান মুক্তিযুদ্ধের সূতিকাগার হিসেবে সংরক্ষণ করতে চাই। যেখানে মানুষ গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে পারবে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব স্থানে যুদ্ধ হয়েছিল, সেসব স্থান আমরা সংরক্ষণ করছি।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মুজিব বর্ষের থিম সং ও মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবময় ও সংগ্রামী জীবনের ওপর নির্মিত গীতি আলেখ্য পরিবেশিত হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মাকদুমা নার্গিস ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা খানম সাকী। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া শিরিন অনুভূতি প্রকাশ করেন।
বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই//



