এইচএসবিসি এ্যাওয়ার্ড

এইচএসবিসি বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলো ৯ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক: হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলো দেশের ৯টি প্রতিষ্ঠান। করোনাকালে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং অর্থনীতিতে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে এইচএসবিসি ‌‘দ্বিতীয় বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।

রোববার (১৩ মার্চ) রাতে ঢাকার হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অসনাতন ও উদীয়মান ক্ষেত্রে অবদান ও পণ্য রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী।

এছাড়া এবার তৈরি পোশাকশিল্পে এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে প্যাসিফিক জিন্স। প্রতিষ্ঠানটি ৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি করছে। সাপ্লাই চেইন এবং ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ শিল্পে এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে এনভয় টেক্সটাইল। আমদানি-বিকল্প শিল্পে অবদান রাখায় পুরস্কৃত হয়েছে হাতিল কমপ্লেক্স। আসবাবপত্র খাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় এ ব্র্যান্ড অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম কুড়িয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান রাখায় অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সামিট করপোরেশন। সামিট গ্রুপ বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি শিল্পের অন্যতম প্রতিষ্ঠান। সাসটেইনেবিলিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মালেক স্পিনিং গ্রুপ। প্রতিষ্ঠান প্রাকৃতিক ফাইবার থেকে পোশাক তৈরির জন্য একটি ইকোসিস্টেম সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব টেকসই ব্যবস্থা নিয়েছে। স্পেশাল এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে দেশের অন্যতম ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপ। এছাড়া করোনাকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় আইসিটি ডিভিশনের সুরক্ষা অ্যাপকে দেওয়া হয়েছে জুরি অ্যাওয়ার্ড।

বাণিজ্যমন্ত্রী ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, এইচএসবিসির হেড অব কমার্শিয়াল ব্যাংকিং মিস অ্যামান্ডা মারফি প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, করোনা মহামারির শুরুতে দেশব্যাপী লকডাউন এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণে আমরা ব্যবসা হারানোর প্রচণ্ড চাপের মুখোমুখি হয়েছিলাম। সহনশীলতা ও দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে এ প্রতিকূল পরিবেশকে মোকাবিলা করেছি। আমরা ব্যবসা সহজীকরণ নীতি বাস্তবায়নে করেছি, যাতে কোম্পানিগুলো সহজেই করোনা প্রতিষেধক এবং অন্যান্য সুরক্ষামূলক সরঞ্জামাদি আমদানি করতে পারে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেন, অতিমারির মধ্যেও যেসব দেশের অর্থনীতি এগিয়েছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের যে অর্জন করেছে তা এক কথায় অসাধারণ। ১৯৭১ সাল থেকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের উন্নয়নের সারথি।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)