শিল্পনীতিতে এমিউজমেন্ট ও থিম পার্ককে পর্যটন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, ২০২২ সালের জন্য প্রণীত চূড়ান্ত জাতীয় শিল্পনীতিতে এমিউজমেন্ট পার্ক এবং থিম পার্ককে পর্যটন শিল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যথাযথভাবে অনুমোদনের পর জাতীয় শিল্পনীতি-২০২২ এ বছরের এপ্রিল মাসেই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
বুধবার রাজধানীর মতিঝিলের শিল্প ভবনে শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব এমিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড অ্যাট্রাকশন (বাপা) এর একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে গেলে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্প ভবনের (শিল্প মন্ত্রণালয়) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমিন, যুগ্মসচিব মো. আবদুল ওয়াহেদ, সিনিয়র সহকারী সচিব (নীতি) মো. সলিম উল্লাহ।
বাপা’র প্রতিনিধিরা জানান, বাংলাদেশে ছোট বড় মিলে প্রায় ৩০০টি এমিউজমেন্ট পার্ক বা থিম পার্ক রয়েছে। এ সেক্টরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৬ লাখ জনবল কর্মরত। জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুযায়ী পর্যটন শিল্প একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্প। পর্যটন শিল্পের আওতাভুক্ত সম্ভাব্য প্রোডাক্টের তালিকায় বেসরকারি খাতভুক্ত ট্যুরিজম প্রোডাক্টস এর মধ্যে থিম পার্ক ও এমিউজমেন্ট পার্ক অন্তর্ভুক্ত ছিল। করোনা সংক্রমণের বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যটন সেক্টর ও এই সেক্টরের আওতাধীন বিভিন্ন সাব-সেক্টর আর্থিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শিল্পমন্ত্রী পরে বলেন, আমরা এরই মধ্যে এ বিষয়ে চিন্তা করেছি এবং এর দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করছি। মন্ত্রী পার্কের বিভিন্ন রাইডস ও যন্ত্রপাতি যেন নিরাপদ হয় সে বিষয়েও তাগিদ দেন।
বিনিয়োগবার্তা/এসএল//



