maisha-khal

৮ দশক পর সূত্রাপুরের মাইশা খালের জমি উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: আট দশকেরও বেশি সময় ধরে বেদখলে থাকা রাজধানীর সূত্রাপুরের মাইশা খালের জমি উদ্ধার করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন(ডিএসসিসি)।ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ সিকদারের নেতৃত্বে বুধবার সূত্রাপুরে মাইশা খালের জমি উদ্ধার কার্যক্রম চলে।

মাইশা খালের জমি উদ্ধারে অভিযান প্রসঙ্গে মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, সূত্রাপুরের যে জায়গায় গত দুদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে তা মাইশা খাল নামে অধিক পরিচিত। জায়গাটি ডিএসসিসি আওতাধীন শহর মৌজা ২০৪ ও ২১০ সিএস দাগের জমি, যা জনসাধারণের ব্যবহারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেন হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। সেই জায়গা বিগত প্রায় ৮ দশক যাবত বেদখল ছিল। অভিযানের মাধ্যমে এই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।

মুনিরুজ্জামান জানান, নিএই খালে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ১৩টি তিনতলা ভবন এবং ২০টি একতলা সেমিপাকা বিল্ডিং উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিগত দুদিনের অভিযানে ১০টি স্থায়ী-অস্থায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

মাইশা খাল পুরোপুরিভাবে দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান ডিএসসিসির সম্পত্তি কর্মকর্তা। 

বুধবার সূত্রাপুরে মাইশা খালের জমি উদ্ধার অভিযানে ডিএসসিসির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মো. শহিদ উল্লাহ মিনু, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

এদিন ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিফা খানের নেতৃত্বে ফকিরাপুলের বক্স কালভার্ট রোডের উভয় পাশে নির্মিত স্থায়ী-অস্থায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ভ্রাম্যমাণ আদালত। বক্স কালভার্ট রোডের অভিযানে একটি রাজনৈতিক দলের আধা-পকা অবৈধ কার্যালয়সহ ৬টি স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা এবং ১২-১৩টি অস্থায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে কমলাপুর হতে ফকিরাপুল পর্যন্ত বক্স কালভার্ট রোডের উভয় পাশের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। 

বিনিয়োগবার্তা/এসএল//


Comment As:

Comment (0)