১০ মাসে অর্থপাচারের ৮৬৬ কোটি টাকা জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) চলতি অর্থবছরের (২০২১-২২) প্রথম ১০ মাসে তদন্তাধীন নয়টি মামলার বিপরীতে ৮৬৬ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে।
শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিএফআইইউ এর 'বাংলাদেশে অর্থ-পাচার ও সন্ত্রাসীকার্যে অর্থায়নে প্রতিরোধ কার্যক্রমের ২০ বছর' শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপিত রিপোর্টে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের বিষয়ে জানতে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (এসএনবি) কাছে তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএফআইইউ এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. কামাল হোসেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) এসএনবি তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে সুইস ব্যাংকগুলোর কাছে বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত অর্থ ও সম্পদের তথ্য প্রকাশ করে।
এতে দেখা যায়, ২০২১ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের নামে জমা টাকার পরিমাণ ৫৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঙ্ক। ১৯৯৬ সালের পর থেকে যা সর্বোচ্চ।
সেমিনারে জানানো হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে সাতটি মামলার বিপরীতে জব্দকৃত টাকার পরিমাণ ছিল ৩৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। গত পাঁচ বছরে ৬৩টি তদন্তাধীন মামলার বিপরীতে টাকা জব্দ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা।
সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন রোধের প্রধান সংস্থা- বিএফআইইউ।
সংস্থাটির চলতি অর্থবছরের দশ মাসে বাজেয়াপ্তকৃত অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ২৭ কোটি টাকা। গত পাঁচ অর্থবছরের সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা।
বিনিয়োগবার্তা/এসএল//



