Prime Minister000

জনগণকে সেবা দেয়া আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: জনগণকে সেবা দেয়া আমাদের সাংবিধানিক কর্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জনগণের সেবায় নিয়োজিত দক্ষ, পেশাদার মনোভাবসম্পন্ন জনপ্রশাসন করাই আমাদের লক্ষ্য। এ দেশটা আমাদের, কাজেই এ দেশের মানুষের কল্যাণ করাটা সবার সাংবিধানিক দায়িত্ব। সেই ধারাটা সবসময় মনের মধ্যে থাকতে হবে। মানুষের সেবক হতে হবে। জনগণের সেবক হতে হবে। কেননা জনগণের সেবা করাটাই সবচেয়ে বড় কথা। সেভাবেই আপনারা কাজ করে যাবেন।

সোমবার বিসিএস কর্মকর্তাদের ৭৩তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। অনুষ্ঠানে রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনসহ আরো পাঁচটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পদক ও সনদ তুলে দেন।

প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ করা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সারা দেশে যে প্রশাসনের কর্মকর্তারা আছেন, তারা আন্তরিকভাবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো তৈরি করে দিয়েছেন। এর ফলে সেই কর্মকর্তাদের চোখে-মুখে অনেক তৃপ্তি দেখা যায়। আমরা চাই দেশের মানুষ উন্নত জীবন পাক, সুন্দর জীবন পাক, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যারা নতুন কর্তব্য নিয়ে যাবেন, তারা এ বিষয়ের দিকে নজর দেবেন।

দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ ব-দ্বীপ অঞ্চলের একেক জায়গার সমস্যা একেক রকম। সেগুলো নিরূপণ করে সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। উন্নয়নটা সব সময় যাতে টেকসই হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। আমি চাই, তরুণ কর্মকর্তারা তাদের মনন ও বুদ্ধিমত্তাকে আরো কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন। তারা দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতেও বিশেষ দৃষ্টি দেবেন।

দেশের রফতানি পণ্যের নতুন বাজার খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, যেখানে সেখানে শিল্প-কারখানা করা যাবে না। ১০০টি শিল্প অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। কৃষিজমি যেন না কমে যায় সেদিকে দেখতে হবে। অঞ্চলভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে যে শিল্পের কাঁচামাল বা কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়, সে ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে হবে।

বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই//


Comment As:

Comment (0)