আরটিজিএস

আরটিজিএসে ৫ বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৫টি বৈদেশিক মুদ্রায় আরটিজিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে আন্তঃব্যাংক লেনদেন শুরু হয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরে দেশীয় মুদ্রায় বড় অংকের লেনদেন (এক লাখ বা তদূর্ধ্ব) তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করতে ২০১৫ সালে আরটিজিএস ব্যবস্থা চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

অনুমোদিত মুদ্রাগুলো হলো- মার্কিন ডলার, পাউন্ড স্টার্লিং, ইউরো, জাপানিজ ইয়েন ও কানাডিয়ান ডলার।

রোববার (৪ আগস্ট) জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এ ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকবৃন্দ, এফবিসিসিআই সভাপতি, এমসিসিআই সভাপতি, এবিবি প্রেসিডেন্ট সেলিম আর এফ হুসাইন, বাফেদা, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন, ভেন্ডর প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, আরটিজিএস ব্যবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রায় অটোমেটেড ক্লিয়ারিং বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দেশের অভ্যন্তরে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এভাবে ধারাবাহিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে একটি লেস ক্যাশবেইজড সোসাইটি গঠনের মাধ্যমে রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে সব ব্যাংক ও ব্যবসায়ী সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা করেন।

উদ্বোধনের দিন এ ব্যবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রায় ৫২টি লেনদেন নিষ্পন্ন হয়। আরটিজিএস ব্যবস্থাটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রায় ক্লিয়ারিং ব্যবস্থাপনা অনেক সহজ হবে। চেক/এফডিডি নিয়ে ক্লিয়ারিংয়ের জন্য কোনো ব্যাংক প্রতিনিধিকে আর ক্লিয়ারিং হাউজে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে না। এর ফলে চেক/এফডিডি ড্যামেজ হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত ঝুঁকি এবং প্রতারণা বা জালিয়াতির সুযোগ আর থাকবে না।

এফডিডি ক্লিয়ারিংয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হতো এখন তা তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি হবে। আরটিজিএম ব্যবস্থায় দেশীয় মুদ্রায় লেনদেন সীমা এক লাখ টাকা হলেও বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে তা নির্বিশেষে যেকোনো পরিমাণ হওয়ার কারণে লেনদেনের আওতা ও উপকারভোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)