সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা
নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। খ্যাতিমান এই সাংবাদিককে শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার (৩ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি এবং সংস্কৃতি, সংবাদমাধ্যম ও রাজনীতি অঙ্গনসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধা তোয়াব খানকে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় এই শ্রদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম উপস্থিত থেকে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্যালুট জানান। এ সময় সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই সাংবাদিকের মরদেহবাহী কফিটি জাতীয় পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয়।
শহীদ মিনারে তোয়াব খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব জি এম রাজিব আহমেদ, আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।
এ ছাড়া একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, সম্প্রীতি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সাংবাদিককে। এ সময় তোয়াব খানের কন্যা তালিয়া খান, ভাই আবেদ খান এবং ভাগ্নে সেলিম খানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয়ে তোয়াব খানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তোয়াব খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার সংবাদকর্মীরা। সেখান থেকে বর্ষীয়ান এই সাংবাদিকের মরদেহ নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।
এরপর প্রবীণ সাংবাদিক তোয়াব খানের মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। রাখা হবে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত। সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানে নিজ বাসভবনে।
বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা শেষে এই সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।
বিনিয়োগবার্তা/এমআর/এসএএম//



