পলিসি রিচার্স ইন্সটিটিউট

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ

‘সুবিধাভোগী শক্তিশালী গ্রুপের কারণে কমছে না সঞ্চয়পত্রের সুদ হার’

নিজস্ব প্রতিবেদক: সঞ্চয়পত্রের মূল সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী গ্রুপ তাদের কারণেই সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানো সম্ভব হয় না আর যতদিন সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের হার থাকবে ততদিন বন্ড মার্কেটের উন্নতি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক . আহসান এইচ মনসুর। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) পিআরআই কার্যালয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিআরআইয়ের গবেষণা পরিচালক . এম আব্দুর রাজ্জাক অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

এসময় . আহসান এইচ মনসুর বলেন, সঞ্চয়পত্রে যে বিনিয়োগ হয় তার ৭০ শতাংশের বেশি ধনীদের ফলে সরকার যে উদ্দেশে উচ্চ সুদ দিচ্ছে সেই অর্থ যাচ্ছে সরকারি আমলা উচ্চ ধনী ব্যক্তিদের পকেটে এছাড়া কর-জিডিপির রেশিও দিন দিন কমছে আগামীতে আরও কমবে কর-জিডিপির রেশিও ১২ শতাংশ থেকে কম সাড়ে শতাংশ হয়ে গেছে

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন . জায়েদি সাত্তার, পরিচালক . বজলুল হক খন্দকার এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক এম এস রাশিদুল ইসলাম

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে, সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে বড় লোকদের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে স্বল্পআয়ের মানুষ পঞ্চয়পত্র থেকে খুব একটা সুবিধা পাচ্ছে না তাছাড়া যতদিন সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদ হার থাকবে ততদিন দেশের বন্ড মার্কেটের উন্নতি হবে না এজন্য উচ্চ হারে সুদ দিয়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা উচিত নয় বলে অভিমত দিচ্ছে অর্থনীতিবিদদের নিয়ে গড়ে ওঠা এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সঞ্চয়পত্রের মূল সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী গ্রুপ তারাই মূলত সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমাতে দেয় না

এদিন এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার যে রাজস্ব আয় করে তার ২০ শতাংশই সুদ পরিশোধের জন্য ব্যয় করতে হয় সরকারের এই সুদ ব্যয় কমাতে হলে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে হবে উচ্চ হারে সুদ দিয়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করার সুযোগ দেওয়া উচিত নয় সঞ্চয়পত্র দিয়ে বড় লোকদের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সঞ্চয়পত্রের বদলে অন্য জায়গায় বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত

এছাড়াও তিনি বলেন, আমাদের বাজেটের আকার মূলত জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদনের)-এর ১৩ শতাংশের মতো অর্থাৎ সরকার ব্যয় করে ১৩ শতাংশের মতো অথচ পৃথিবীর গরিব দেশগুলোতেও গড়ে জিডিপির ২৪-২৫ শতাংশ ব্যয় করে সরকার সরকারের ব্যয় বাড়াতে হলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়তে হবে

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম//


Comment As:

Comment (0)