Tiger IT

বায়োমেট্রিকে বিশ্বজয়: টাইগার আইটি এফভিসি মূল্যায়নে ১ম স্থানে

নিজস্ব প্রতিবেদক: টাইগার আইটি বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি একটি অসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করেছে, তা হচ্ছে ফিঙ্গারপ্র্রিন্ট রিকগনিশন অ্যালগরিদমের জন্য অত্যাধুনিক FVC- ongoing বা এফভিসি-চলমান মূল্যায়ন পদ্ধতিতে অবিসংবাদিত পথ প্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ইতালির নামকরা ইউনিভার্সিটি অফ বোলোগনার বায়োমেট্রিক সিস্টেম ল্যাবরেটরি টিমের দ্বারা মর্যাদাপূর্ণ এ মূল্যায়ন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বায়োমেট্রিক টেকনোলজির ক্ষেত্রে অগ্রগামী শক্তি হিসেবে টাইগার আইটি-এর অবস্থানকে সুদৃঢ় করছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাইকরণের জন্য সকল মূল্যায়নে, টাইগার-এফিস, পেটেন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সট্রাকশন এবং সদৃশ খোঁজার প্রযুক্তি সামগ্রিকভাবে সর্বাধিক নির্ভুল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। মার্চ ২০২৩ পর্যন্ত, FVC-ongoing ৮১৮৭টি অ্যালগরিদম মূল্যায়ন করেছে, যার মধ্যে Tiger-AFIS প্রথম স্থানে রয়েছে। বেঞ্চমার্কটি FVC দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং এর বায়োমেট্রিক অ্যালগরিদমের স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়ন ডেভেলপারদের অ্যালগরিদমসমূহকেও মূল্যায়ন করে থাকে।

টাইগার আইটি-এর স্বয়ংক্রিয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম- TigerAFIS Slapseg III এর নির্ভুলতায় অন্যদের থেকেই সেরা এবং তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট অ্যালগরিদম নিয়মিতভাবে বিশ্বের এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। TigerAFIS কে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইএসটি) প্রযুক্তির বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় কার্যকরি প্রযুক্তি হিসাবেও বেঞ্চমার্ক করা হয়েছে। Tiger IT-এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট এক্সট্রাকশন এবং ম্যাচিং খোঁজার প্রযুক্তির অ্যালগরিদম NIST-এর চলমান Minutiae Interoperability Exchange (MINEX) পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। ২০১৮ সালে, কোম্পানিটি NIST দ্বারা প্রকাশিত আইরিশ এক্সচেঞ্জ (IREX) IX পার্ট ওয়ান, আইরিস স্বীকৃতি মূল্যায়নের পারফরম্যান্সে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। টাইগার আইটি বিশ্বের অল্প কয়েকটি কোম্পানির মধ্যে অন্যতম একটি কোম্পানি, যাদের ABIS সিস্টেমের ফেসিয়াল এবং আইরিশ সনাক্তকরণের অ্যালগরিদমকে এনআইএসটি তার বেঞ্চমার্ক দ্বারা স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

টাইগার আইটি বাংলাদেশ লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী নাসিরা ইউ আহমেদ বলেছেন, “আমরা আমাদের বিশ্বখ্যাত বায়োমেট্রিক সল্যুশনের সাথে অসংখ্য শিল্পকে নতুন আকার দিয়েছি এবং আমাদের নিরলস গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা অত্নবিশ্বাসী যে আমরা উভয় ক্ষেত্রেই বিপ্লব ঘটাতে পারব। সরকারী এবং বেসরকারী সংস্থাগুলি তাদের বিকশিত পরিচয় ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা সহ”।

টাইগার আইটিতে, কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতিই তাদের অসাধারণ সাফল্যের চালিকা শক্তি।

“আমি এফিস সিস্টেমের ইমপ্লিমেন্টেশনে প্রতিটি কাস্টমারের সাথে খুব কাছ থেকে কাজ করেছি। আমি একজন বাংলাদেশী হিসেবে এই প্রজেক্ট এর সাথে যুক্ত থাকতে পেরে এবং বিশ্বের দরবারে টাইগার আইটিকে তুলে ধরতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি”- শোয়াইব রেজা, ভিপি, বায়োমেট্রিক সিস্টেম এন্ড ডেটাবেজ।

এই যুগান্তকারী বায়োমেট্রিক সিস্টেম সর্বাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুততার সাথে এবং নির্ভুলভাবে মানুষের অনন্য বৈশিষ্ট্যসমূহ খুঁজে বের করতে সক্ষম। AFIS সিস্টেমটি আঙ্গুলের ছাপ সনাক্ত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অপরদিকে ABIS সিস্টেমটি বিভিন্ন বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য সনাক্ত করতে সক্ষমতা রাখে, যেমন, ফেশিয়াল রেকগনিশন, আইরিশ স্ক্যানিং এবং ভয়েস আইডেন্টিফিকেশন। টাইগার আইটির AFIS সিস্টেম বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা কোম্পানিতে চলমান রয়েছে।

টাইগার আইটি এর সম্পর্কে কিছু কথা:
আন্তর্জাতিক বায়োমেট্রিক ইন্ডাস্ট্রিতে টাইগার আইটি একটি খ্যাতনামা ব্র্যান্ড হিসেবে সুপরিচিত। তাদের রয়েছে নতুন নতুন এলগরিদম তৈরিতে, এন্টারপ্রাইজ সলিউশন নির্মানে এবং বায়োমেট্রিক গবেষণায় ২০ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা। টাইগার আইটি-এর বর্তমান ব্যবসার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বৃহত্তর ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক্স, আইডেন্টিটি এবং ক্রেডেনশিয়ালিং, ডাটাবেস প্রশাসন, ই-গভর্ন্যান্স এবং এমআইএস সম্পর্কিত সমাধান। টাইগার আইটির সমাধানগুলি বর্তমানে বিশ্বের ১৫টিরও বেশি দেশের সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিনিয়োগবার্তা/ডিএফই//


Comment As:

Comment (0)