রূপালী ব্যাং‌কের ৩ সিবিএ নেতা বহিস্কার

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা : কর্মকর্তাদের সাথে দুর্ব্যবহার ও অশালীন আচরণের দায়ে ৩ সিবিএ নেতাকে বহিস্কার ও ৫ জনকে চূড়ান্ত শাস্তি দিয়েছে রূপালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গতকাল জড়িতদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, সিবিএ সভাপতি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, সেক্রেটারি মো. কাবিল হোসেন কাজী ও কেয়ারটেকার মো. আরমান মোল্লাকে স্থায়ীভাবে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে গাড়ি চালক মো. আবুল কালাম আজাদকে।

ঢাকার বাইরে বদলী করা হয়েছে কেয়ারটেকার মো. আনোয়ার হোসেন, ছাব্বির আহমেদ ভুঁইয়া ও মনিরুল ইসলামসহ অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার মো. আহসান হাবিবকে।

গত বছর ৫ ডিসেম্বর সকালে রূপালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. নূরুজ্জামান, উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শওকত আলী খান, সহকারী মহাব্যবস্থপক মো. সাখাওয়াত হোসেন ও প্রিন্সিপাল অফিসার মো. জসিম উদ্দিন সরকারের সঙ্গে অসদাচরণ ও অশালীন আচরণ করে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিতও করে এই সিবিএ নেতারা।

এ ঘটনায় ঐ দিনই ৫ জনকে – সংস্থাপন ও কল্যান বিভাগের অফিস সহকারী মো. কাবিল হোসেন কাজী, একই বিভাগের গাড়ি চালক মো. আবুল কালাম আজাদ, স্থানীয় কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আনোয়ার হোসেন ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার গ্রেড-১ মো. আহসান হাবিব এবং কাপ্তান বাজার শাখার অফিস সহকারী মো. আরমান মোল্লা সাময়িক বরখাস্ত হয়।

সিবিএ সভাপতি মতিঝিল কর্পোঃ শাখার জুনিয়র অফিসার খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, ভিজিলেন্স ও ইন্টিলিজেন্স বিভাগের অফিস সহকারী মো. মনিরুল ইসলাম ও শিল্প ঋণ বিভাগের অফিস সহকারী মো. ছাব্বির আহমেদ ভূইয়ার বিরুদ্ধে চার্জসীট করা হয়। পরে ঘটনার পূর্ণ তদন্ত করে তদন্ত কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে জড়িত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের পর এই প্রথম কোনো সিবিএ নেতা শাস্তির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ জনকে চাকুরিচ্যুত করেছিলেন তৎকালীন গভর্নর ড.ফখরুদ্দিন আহমেদ ২০০৩ সালে।

(এম আর / ২০ জুলাই, ২০১৭)


Comment As:

Comment (0)