বছরের প্রথমার্ধে এইচএসবিসির মুনাফা ১০.২৪ বিলিয়ন ডলার; ২০০ কোটি ডলারের শেয়ার বাইব্যাকের ঘোষণা
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: চলতি বছরের প্রথমার্ধে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মুনাফা করেছে বহুজাতিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি ব্যাংক লিমিটেড। পাশাপাশি বছরের প্রথমার্ধের প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি আরও ২০০ কোটি ডলারের শেয়ার বাইব্যাক করার ঘোষণা দিয়েছে। খবর বিবিসি, সিএনবিসি ও টেলিগ্রাফের।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, জানুয়ারি-জুন মেয়াদে তাদের কর পূর্ববর্তী মুনাফা হয়েছে ১০.২৪ বিলিয়ন ডলার; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। এ সময়ে প্রত্যাশিত মুনাফা ছিল ৯.৫ বিলিয়ন ডলার।
এ নিয়ে কোম্পানির মোট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ২৬.১ বিলিয়ন ডলার।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা শেয়ার কোম্পানি কর্তৃক পুনঃক্রয় হচ্ছে বাইব্যাক।
খবরে বলা হয়, চলতি বছরে দ্বিতীয়ার্থের মধ্যে নতুন ২০০ কোটি ডলারের শেয়ার পুনঃক্রয় সম্পন্ন করবে এইচএসবি।
মূলত, ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে এইচএসবিসি মন্দায় পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের হাজার হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করে। এছাড়া ঘুরে দাঁড়াতে কিছু সম্পদ বিক্রিও করে।
তবে এর মধ্যেও কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত লভ্যাংশ দিয়ে গেছে।
এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ড গ্যালিভার এক বিবৃতিতে বলেন, গত ১২ মাসে আমরা ইউরোপ বা আমেরিকার যে কোনো ব্যাংকের চেয়ে শেয়ারহোল্ডারদের বেশি লভ্যাংশ দিয়েছি। এ সময়ে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার পুনঃক্রয় করে শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষণার পর ২০১৬ সালের পর কোম্পানিটির শেয়ার পুনঃক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৫.৫ বিলিয়ন বা সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার।
চলতি বছরের সফলতার প্রশংসা করেছেন ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ডগলাস ফ্লিন্ট। তিনি ব্যাংকের এখন সুসময় চলছে বলে উল্লেখ করেন।
বছরের প্রথমার্ধে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মুনাফা এইচএসবিসির
বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: চলতি বছরের প্রথমার্ধে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মুনাফা করেছে বহুজাতিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি ব্যাংক লিমিটেড। পাশাপাশি বছরের প্রথমার্ধের প্রতিবেদন প্রকাশের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি আরও ২০০ কোটি ডলারের শেয়ার বাইব্যাক করার ঘোষণা দিয়েছে। খবর বিবিসি, সিএনবিসি ও টেলিগ্রাফের।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, জানুয়ারি-জুন মেয়াদে তাদের কর পূর্ববর্তী মুনাফা হয়েছে ১০.২৪ বিলিয়ন ডলার; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। এ সময়ে প্রত্যাশিত মুনাফা ছিল ৯.৫ বিলিয়ন ডলার।
এ নিয়ে কোম্পানির মোট রাজস্ব দাঁড়িয়েছে ২৬.১ বিলিয়ন ডলার।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা শেয়ার কোম্পানি কর্তৃক পুনঃক্রয় হচ্ছে বাইব্যাক।
খবরে বলা হয়, চলতি বছরে দ্বিতীয়ার্থের মধ্যে নতুন ২০০ কোটি ডলারের শেয়ার পুনঃক্রয় সম্পন্ন করবে এইচএসবি।
মূলত, ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে এইচএসবিসি মন্দায় পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের হাজার হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করে। এছাড়া ঘুরে দাঁড়াতে কিছু সম্পদ বিক্রিও করে।
তবে এর মধ্যেও কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত লভ্যাংশ দিয়ে গেছে।
এইচএসবিসির প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ড গ্যালিভার এক বিবৃতিতে বলেন, গত ১২ মাসে আমরা ইউরোপ বা আমেরিকার যে কোনো ব্যাংকের চেয়ে শেয়ারহোল্ডারদের বেশি লভ্যাংশ দিয়েছি। এ সময়ে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার পুনঃক্রয় করে শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষণার পর ২০১৬ সালের পর কোম্পানিটির শেয়ার পুনঃক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৫.৫ বিলিয়ন বা সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার।
চলতি বছরের সফলতার প্রশংসা করেছেন ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান ডগলাস ফ্লিন্ট। তিনি ব্যাংকের এখন সুসময় চলছে বলে উল্লেখ করেন।
তবে ডগলাস বর্তমান সময়ের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ব্যাংকের সুসময় চললেও এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনের পরিস্থিতি কেমন হবে- তার উপরও পরবর্তী সফলতা নির্ভর করছে।
এদিকে, শেয়ার পুনঃক্রয়ের খবরে সোমবার লন্ডনের বাজারে ব্যাংকটির শেয়ারের দর ৩ শতাংশ বেড়ে যায়।
(এসএএম/ ৩১ জুলাই ২০১৭)



