সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল বিকেএমইএ
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিশ্চিতকরণের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
বিশ্বমানব সম্পদ উন্নয়ন কংগ্রেস এবং এশিয়ান কনফেডারেশন অব বিজনেস যৌথভাবে রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইরনস্টিটিটিউটের বর্তমান সভাপতি ও সিইও ফারুক সোবহান এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি ও মাল্টিমোড লিমিটেডের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
বিশ্ব মানব সম্পদ উন্নয়ন কংগ্রেসের এমিরেটাস চেয়ারম্যান ড. অরুণ অরোরা এবং ড. হরিশ মেহতা, বিশ্ব মানব সম্পদ উন্নয়ন কংগ্রেসের গ্লোবাল চেয়ারম্যান জ্যাক জোনস, আইআইএম আহমেদাবাদের সাবেক ডিন এবং বর্তমান সভাপতি প্রফেসর ইন্দিরা পারেখ, সিএসএসআর ডে এবং ওয়ার্ল্ড সাসটেইনেবিলিটি-এর প্রতিষ্ঠাতা ড. আরএল ভাটিয়া এই পুরস্কারের জন্য বিকেএমইএ-কে নির্বাচিত করেন। বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান বিকেএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ, ড. গওহর রিজভী, ড. আরএল ভাটিয়া ও সাউথ এশিয়ান পার্টনারশিপ সামিটের কো-চেয়ারম্যান আশা জায়ামান্নের হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
পুরস্কার গ্রহণ পরবর্তী আলোচনায় বিকেএমইএ প্রথম সহ-সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। সেই অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিকেএমইএ আগামী চার বছরের মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আজকের এই পুরস্কার বিকেএমইএর এই লক্ষ্য পূরণে আরও দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ করল।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকেএমইএ অর্থ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা ও পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কারখানার শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকেএমইএ ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠা করে ওএসএইচ ইউনিট, যা ৪০টি কারখানায় সেফটি কমিটি গঠন করতে সমর্থ হয়। সেই সঙ্গে টিবি আক্রান্ত শ্রমিকদের শনাক্ত করে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিকেএমইএর টিবি কন্ট্রোল টিম। এই টিম এখন পর্যন্ত বিকেএমইএর ৪০০ সদস্য কারখানার ১ লাখ ৬ হাজার ৬৩৬ জন শ্রমিকের মধ্যে থেকে ২ হাজার ২৩৪ জনের কফ পরীক্ষা করে তিনশ ৮৯ জন শ্রমিককে টিবি রোগী হিসেবে শনাক্ত করে। নিট শ্রমিকদের জন্য নারায়ণগঞ্জে একটি মেডিকেল সেন্টার ও একটি ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে বিকেএমইএ।
(এসএএম/ ৩০ অক্টোবর ২০১৭)



