এসডিজি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়ন ও তাতে বেসরকারি খাতের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।
গতকাল জিপি হাউজে ‘পার্টনারিং ফর রিডিউসড ইনইকুয়্যালিটিস : হাও বিজনেস ক্যান কন্ট্রিবিউট টু দ্য ইউএন এসডিজি’ শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনায় এ আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনায় অংশ নেন সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা। যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে গ্রামীণফোন লিমিটেড এবং টেলিনর গ্রুপ।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট অ্যাডভাইজর ও এসডিজি লিড ফখরুল আহসান, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও কো-অর্ডিনেটর থমাস জর্জ, ফরেন ইনভেস্টর্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রূপালী চৌধুরী, অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজর অনির চৌধুরী, ডি-নেট বাংলাদেশের সিইও ড. অনন্য রায়হান, ব্র্যাক ও ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের স্ট্র্যাটেজি, কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট সিনিয়র ডিরেক্টর আসিফ সালেহ এবং গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি।
অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন টেলিনর গ্রুপের গ্রুপ সাসটেইনাবিলিটি বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওলা ইয়ো তান্দ্রে।
এসডিজি ইমপ্লিমেনটেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক মো. আবুল কালাম আজাদ প্যানেলে উপস্থিত না থাকতে না পারলেও তিনি ভিডিও মেসেজের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত পদক্ষেপের চাহিদার কথা এবং গ্রামীণফোন ও টেলিনরকে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট অ্যাডভাইজর ও এসডিজি লিড ফখরুল আহসান বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অবদান আছে ৭৮ শতাংশ, আর তাই এ খাতকে বাদ দিয়ে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব না। ইউএনডিপি সরকারি ও বেসরকারি খাতকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছে, ফলে উভয় খাত নিজেদের চাহিদাগুলো নিয়ে আলোচনা করে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সে অনুযায়ী নীতি নির্ধারণ করতে পারবে।’
গ্রামীণফোনের সাসটেইনাবিলিটি উইকের আওতায় এই প্যানেল আলোচনা আয়োজিত হয়েছে। গত সপ্তাহে টেলিনর গ্রুপের সিইও ও প্রেসিডেন্ট সিগভে ব্রেক্কে সাসটেইনাবিলিটি উইকের উদ্বোধন করেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মী এবং অন্যান্য অংশীদারদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির টেকসই উদ্যোগগুলো সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সাসটেইনাবিলিটি উইক পালন করা হয়।
(এম আর / ০৭ নভেম্বর, ২০১৭)



