বিএসইসির সিদ্ধান্ত ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বক্তব্য

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক, ঢাকা: সম্প্রতি ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের দায়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ভ্রমন ও অবকাশ খাতের কোম্পানি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৭ পরিচালককে ১০ লাখ টাকা করে এবং খন্দকার তাসলিমা চৌধুরীকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির এ জরিমানা ও সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে বিনিয়োগবার্তায়ও (www.biniyougbarta.com) এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে বিনিয়োগবার্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি আকারে চিঠি পাঠিয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ লিমিটেড। কোম্পানি কর্তৃপক্ষের পাঠানো চিঠির হুবহু পাঠকদের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো:

আপনার বহুল প্রচলিত অনলাইন নিউজ পোর্টালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত ‘ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ এর ৭ উদ্যোক্তাকে জরিমানা’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে সঠিক তথ্য উপস্থাপিত হয়নি বলিয়া অত্র কর্তৃপক্ষ মনে করে। প্রতিবেদনটি প্রকাশের ফলে দেশের  বেসরকারী খাতের বৃহত্তম এয়ারলাইন্স – ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেডের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। অগণিত গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারনে আমরা প্রতিবেদনটির ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য ও অবস্থান নিম্নে উপস্থাপন করছি। । ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ (বিডি) লিমিটেড বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে এভিয়েশন খাতে একমাত্র তালিকা ভুক্ত কোম্পানী। যে কোম্পানীর সাথে সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক শেয়ারহোল্ডার। এয়ারলাইন্সটিতে ইতিমধ্যে সহস্রাধিক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রাও অর্জিত হয়েছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পরিচালনার মাধ্যমে। শত বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ আজকে দেশের বৃহত্তম প্রাইভেট এয়ারলাইন্স এবং বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। আমাদের বক্তব্য আপনার অনলাইন নিউজ পোর্টালে যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশের মাধ্যমে উদ্ভুত বিভ্রান্তি দূরীকরণের জন্য আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রকাশিত সংবাদের বিপরীতে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ এর বক্তব্য:

কোম্পানীর Memorandum of Association and Article অনুযায়ী  খন্দকার তাসলিমা চৌধুরী কখনোই স্পন্সর পরিচালক ছিলেন না। সুতারাং বর্নিত সময়ে তিনি একজন সাধারন শেয়ারহোল্ডার হিসাবে বিবেচিত ছিলেন এবং একজন সাধারন শেয়ার হোল্ডারের মতই শেয়ার ক্রয়/বিক্রয় করেছেন যাহাতে কোম্পানীর কোন নিয়ন্ত্রন বা সম্পৃক্ততা থাকার কথা নয়।

কোম্পানীর Memorandum of Association and Article অনুযায়ী  TAC Aviation Ltd.  স্পন্সর ছিল না। শুধুমাত্র এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হওয়ার সুবাদে ক্যাপটেন  তাসবিরুল আহমেদ চৌধুরীকে বর্নিত সময়ে শেয়ার ক্রয়/বিক্রয় করা হেতু বিশ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হইয়াছে।  তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী স্পন্সর/পরিচালক ছিলেন  তিনি কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদ থেকে ১৫ মার্চ, ২০১০ তারিখে পদত্যাগ করেছেন ।  পদত্যাগ করার পর থেকে তিনি কোম্পানীর একজন সাধারন বিনিয়োগকারী ছিলেন। মো: আশিক মিয়া, সিদ্দিকা আহম্মেদ, মো: ইউসুব চেীধরী, ও মুদরীস আলী  কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদ থেকে ১৫ মার্চ ২০১০ তারিখে পদত্যাগ করেছেন। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে তাদের কেউই স্পন্সর ছিলেন না বরং সাধারন বিনিয়োকারী ছিলেন। খন্দকার মাহফুজার রহমান এবং তাহমিনা বেগম  স্পন্সর নয় বরং সাধারন বিনিয়োগকারী । সাধারন শেয়ার হোল্ডার হিসাবে তারা শেয়ার ক্রয়/বিক্রয় করেছেন এবং এ বিষয়ে কোম্পানীর কিছু করনীয় আছে বলে প্রতিয়মান নয়। যাইহোক এ বিষয়ে ১৮ও১৯ নভেম্ভর ২০১৩ ইং  তারিখে আমরা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে আমাদের লিখিত বক্তব্য প্রদান করেছি। সূদীর্ঘ চার বছর পর বিষয়টি উপস্থাপনের  কারন আমাদের বোধগম্য নয়। অতএব সঠিক তথ্য স্বম্বলিত নয় বলে আমরা এই প্রতিবেদনটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

(এসএএম/ ০৬ মার্চ ২০১৮)


Comment As:

Comment (0)