‘মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পরিচালকদের কোনো ঋণ নেই’
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালকরা এ ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে কোনো ঋণ নেন না। এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করে গেছেন ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল। ফলে ব্যাংকটি অন্য অনেক ব্যাংকের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠার ১৯ বছরে ব্যাংকটি এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, অনেক ব্যাংক ৪০ বছরেও যা পারেনি।
প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়। আগামী ২ জুন ব্যাংকের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর মতিঝিলে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মসিহুর রহমান ব্যাংকের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকটির ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান এ এস এম ফিরোজ আলম, পরিচালক এম আমানউল্লাহ, আকরাম হোসেন (হুমায়ুন), মোহাম্মদ সেলিম ও মোশাররফ হোসেন। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী ও মতিউল হাসান, ডিএমডি জি ডব্লিউ এম মোর্তজা, মো. জাকির হোসাইন, আদিল রায়হানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ এস এম ফিরোজ আলম বলেন, ব্যাংকটিকে কীভাবে উন্নতির দিকে নেওয়া যায়, শুরু থেকে সব পরিচালকের সেই চেষ্টা রয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সব পরিচালক ব্যবসায়ী। তবে এ ব্যাংকে কোনো পরিচালকের ঋণ নেই। আরেক পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, অনেক ব্যাংকের পরিচালকরা নামে-বেনামে ঋণ নেওয়ায় পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের এ প্রবণতা নেই।
কাজী মসিহুর রহমান বলেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুনাফা, আমানত, ঋণ, আমদানি, রফতানিসহ সব ক্ষেত্রে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে। ব্যাংকটি এবারে নতুন করে দুটি সাবসিডিয়ারি খোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর একটির মাধ্যমে ব্যাংকের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা আলাদা করা হবে। বর্তমানে ‘মাই ক্যাশ’ নামে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যাংকের একটি প্রোডাক্ট হিসেবে চলছে। এ ছাড়া একটি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সর্বাধুনিক ভার্সনের প্রযুক্তি সেবা দিতে নতুন সফটওয়্যার স্থাপনের কাজ চলছে। ব্যাংকটি এখন ১২৯টি শাখা ও ১৬২টি এটিএম বুথের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে। এবারে আরও ১০টি নতুন শাখা খোলার কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য বিশ্বের ৬২২টি ব্যাংকের সঙ্গে করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্ক রয়েছে।
(এসএএম/ ৩১ মে ২০১৮)



