যমুনা অয়েলের এমডিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা
প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা, ঢাকা: যমুনা অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে দুইটি মামলা দায়ের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল লিমিটেডের (পদ্মা) এমডি থাকা কালে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা দুইটি করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার ওসি মর্জিনা আখতার বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল হক মামলা দুইটি দায়ের করেন। মামলাগুলোতে পদ্মা অয়েলের অপর চার কর্মকর্তাসহ মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অন্য আসামিরা হলেন- পদ্মা অয়েলের প্রকল্প পরিচালক মো. নূরুল আমিন; উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কে.এম. আব্দুর রহিম ও প্রকৌশলী সালেকী আহমেদ আইনুল আব্বাসী এবং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোহাম্মদ ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানির এমডি আনিসুর রহমান। উভয় মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সিরাজুল হক জানান, হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমানে জ্বালানি নেওয়ার জন্য হাইড্রেন্ট লাইন নির্মাণে শিডিউল মোতাবেক কাজ না করে প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ওই উন্নয়ন কাজ থেকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- পদ্মা অয়েলের সাবেক এমডি আবুল খায়ের; প্রকল্প পরিচালক পদ্মা অয়েলের কর্মকর্তা মো.আলী হোসেন এবং ম্যাক্স অয়েল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের এমডি মো. ফাহিম জামান পাঠান।
তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালে খুলনার দৌলতপুরে পদ্মা অয়েলের একটি ভবন নির্মাণে শিডিউল মোতাবেক কাজ না করে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়েছে। এতে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক জানান, পদ্মা অয়েলের এমডি থাকাকালে আবুল খায়েরসহ অন্য আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে কাজ কম করে অর্থ আত্মসাত করেছেন। গত বছর এই দুইটি উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে সত্যতা এবং তথ্যপ্রমাণ পেয়ে দুদকের অনুমোদনপূর্বক দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
(ইউএম/ ৬ এপ্রিল ২০১৭)



