প্লেসমেন্ট শেয়ারে মূলধন সংগ্রহের পরিমাণ পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব ডিএসইর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিনিয়োগবার্তা: প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনের পরিমাণ পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের উপর বিদ্যমান লক-ইন (শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা) এর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। এ সময় বিএসইসির কমিশনার প্রফেসর হেলাল উদ্দিন নিজামী, ড. স্বপন কুমার বালা, খন্দকার কামালুজ্জানসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে ডিএসইর পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম এ হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম মাজেদুর রহমান, পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন প্রমুখ বেঠকে অংশ নেন।

ডিএসইর দেওয়া প্রস্তাব অনুসারে, প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন উত্তোলনের পরিমাণ হতে পারে পরিশোধিত মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ।  এছাড়া প্লেসমেন্ট শেয়ারের উপর বিদ্যমান লক-ইন (শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা) এর মেয়াদ বাড়ানোরও প্রস্তাব করেছে ডিএসই। বর্তমানে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) প্রসপেক্টাস অনুমোদনের দিন থেকে এক বছর সময় পর্যন্ত প্লেসমেন্ট শেয়ারের উপর লক-ইন থাকে। প্রসপেক্টাস অনুমোদনের দিনের পরিবর্তে স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারের লেনদেন শুরু দিন থেকে লক-ইনের সময় গণনার প্রস্তাব করেছে ডিএসই।

পাশাপাশি প্লেসমেন্টধারীর সর্বোচ্চ সংখ্যা ৫০জনে নির্ধারণ করে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ডিএসই। বর্তমানে ১০০ জন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্লেসমেন্টে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া যায়।

বিএসইসির পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

(এসএএম/ ২০ এপ্রিল ২০১৯)


Comment As:

Comment (0)